
জনগণের পাশে না থাকলে আগামীতে বিএনপিকেও ক্ষমতায় বসাবে না মানুষ: কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী উন্নয়নমুলুক কাজ ও শাধারণ মানুষের পাশে না থাকলে, আগামী দিনে মানুষ বিএনপিকে ও ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে না বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস।শুক্রবার বিকেলে ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের পণ্ডিত বাজারে আয়োজিত শ্রমিক দলের এক কর্মী শম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু হানিফের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন ইমনের সঞ্চালনায়,তিনি আরো বলেন, বিগত ১৭ বছরের শাসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ সময় ধরে দেশে স্বৈরাচারী শাসন চালিয়ে অবশেষে গণরোষের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের দেওয়া ভোটে ক্ষমতায় এসে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, মন্দির ও রাস্তাসহ: প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক কাজ করতে না পারে, তবে ভবিষ্যতে মানুষ আর বিএপিকে ভোট দেবে না। অতীতের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এখন থেকেই নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নের মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এবং নেতা কর্মীদের সাধারণ জনগনের পাশে থেকে মানবিক কাজ করার ও আহ্বান জানান তিনি। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক আবেদ। সম্মেলনের উদ্বোধন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি নিশ্চিত করেন উপজেলা বিএনপির শদস্য রফিক উল্লা পাটোয়ারী, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক শাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, সাবেক সভাপতি শামছুতীবরিজ স্বপন এবং উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রূপক।এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌমুহনী পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার টিপু, সদস্য সচিব মোশাররফ হোসেন সাগর এবং চৌমুহনী সরকারি এস. এ. কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক টি. আই. শুজন। এছাড়া, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ আরিফ খান ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ বুধবার (২৬ আগষ্ট-২০২৬) বাদ যোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে আরিফের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা যায়, গত প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার রামনারায়নপুর গ্রামের শামসুল হক প্রফেসর (মাইজের)বাড়ি। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহেরের ৬ সন্তানের মধ্যে ৫ম ছিলেন আরিফ খান। তাঁর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন সহপাঠী ও বন্ধুবান্ধবদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
সোনাইমুড়ী থানাধীন পশ্চিম বজরা শাহী মসজিদ রোডস্থ মোঃ শফি উল্লাহ এর চায়ের দোকানের সামনে রাজর উপর। জেলা-নোয়াখালী। আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ মোঃ কামাল প্রকাশ কানু (৩৭), পিতা-মৃত মোবারক উল্লা, মাতা- সালমা খাতুন, স্ত্রী তসলিমা খাতুন, সাং-বজরা (জহির উদ্দিন হাজী বাড়ি), ০৭নং ওয়ার্ড, বজরা ইউ.পি, থানা-সোনাইমুড়ী, জেলা-নোয়াখালী। এনআইডি-১৯৮৯৯১২৪৯০০২১৯। আলামতঃ ১। একটি সাদা টিস্যু কাগজে মোড়ানো স্বচ্ছ পলি প্যাকেটের ভিতর লালচে বর্ণের মিথাইল এ্যাম্ফিাটিমিনযুক্ত ইয়াব নামীয় ট্যাবলেট ৩৩ (তেত্রিশ) পিস, যাহার ওজন ০৩ (তিন) গ্রাম ও ২। মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত SYMPHONY Hero 20 মডেলের সিমযুক্ত বার্টন মোবাইল-০১ (এক) টি। ধারা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৩৬ (১) এর সারনির ক্রমিক নং-১০ (ক) গৃহীত আইনগত ব্যবস্থাঃ গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মো: কামাল প্রকাশ কানু (৩৭) এর বিরুদ্ধে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পরিদর্শক ডিএনসি
সোনাইমুড়ি থানাধীন বজরা ইউপির ০৭ নং ওয়ার্ডের বজরা উত্তর সাকিনস্থ ধৃত আসামী ছাব্বির হোসেন এর বসত ঘরের পশ্চিম কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ১। ছাব্বির হোসেন(২২), পিতা-নুর নবী, মাতা-রৌশন আক্তার, সাং-উত্তর বজরা(আকরাম আলী বাড়ি), ০৭ নং ওয়ার্ড, থানা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালীকে আটক করে এবং তাহাদের দেহ তল্লাশি করিয়া ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
হাতিয়ায় খাদ্য গুদামের দারোয়ান কালামের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ হাতিয়ায় খাদ্য গুদামের দারোয়ান আবুল কালামের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার চৌমুহনী বাজারের পাশে অবস্থিত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের দারোয়ান আবুল কালামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নোয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাবরসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক কতৃপক্ষের নিকট একটি দরখাস্ত করেছে মোহাম্মদ রাশেদ নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাতিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের দারোয়ান আবুল কালামের বিরুদ্ধে টোকেন বাণিজ্য, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান ক্রয় করা, মণ প্রতি ৩/৫ কেজি ধান বেশি নেওয়া, লেবারের দৈনিক মজুরির টাকা আর্তসাৎ করা, সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে নামেমাত্র ধান কিনে বাকি শত শত টন নিজে কিনে বিভিন্ন কৃষকের নামে বিল তুলে নেয়া ও একই কর্মস্থলে এক যুগের বেশি সময় ধরে চাকরি করাসহ নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও একই উপজেলায় দীর্ঘদিন চাকরি করার কারণে সবকিছুতে তার একচ্ছত্র বলয় ও নিয়ন্ত্রণ থাকায় তার কূটকৌশলে অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারিরা নামেমাত্র টিকে আছে বলে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট অভিযোগ দিয়েও মিলছে না প্রতিকার। দারোয়ান আবুল কালাম বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, দারোয়ান আবুল কালাম হাতিয়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে থাকায় সে গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মী ও নোয়াখালী সোনাপুরের লেবার শ্রমিক নিয়ন্ত্রণ বা হ্যান্ডিং ঠিকাদার তাইজুল ইসলাম ওরুফে তাজু কমিশনার এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের হিসাবরক্ষক মাসুদুর রহমান মাসুদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে গুদামের কয়েল, লেবার, শ্রমিকসহ সবাইকে নিজের আয়ত্তে রেখে সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে হাতিয়া উপজেলা স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়াও গত ১ যুগ ধরে কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে হ্যান্ডিং ঠিকাদার একজন ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। যা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চরম হুমকির মুখে পড়ে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি দারোয়ান কালামকে অন্যত্রে বদলী ও হ্যান্ডিং ঠিকাদার তাজু কমিশনারকে টেন্ডারের মাধ্যমে দ্রুত পরিবর্তন করে নতুন লোক দেওয়া হোক।এবিষয়ে হাতিয়া উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের অভিযুক্ত দারোয়ান আবুল কালাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এ গুদামঘরে চতুর্থ শ্রেণীর বেতনভুক্ত একজন দারোয়ান। আমি কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়। যদি ধান, গম ও চাল কেনাবেচায় কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তার সাথে উপরের স্যারেরা জড়িত। সকল কাজের বিল পাশ হয় সব উপরের স্যারদের মাধ্যমে। এসবের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সকল অপকর্মের সাথে আমি জড়িত আছি। আপনারা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করেন। আমি এ উপজেলা থেকে চলে যেতে চাই। এদিকে হাতিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ শাহাদাত হোসেনের মোবাইল নাম্বারে কল দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
জনগণের পাশে না থাকলে আগামীতে বিএনপিকেও ক্ষমতায় বসাবে না মানুষ: কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী উন্নয়নমুলুক কাজ ও শাধারণ মানুষের পাশে না থাকলে, আগামী দিনে মানুষ বিএনপিকে ও ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে না বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস।শুক্রবার বিকেলে ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের পণ্ডিত বাজারে আয়োজিত শ্রমিক দলের এক কর্মী শম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু হানিফের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন ইমনের সঞ্চালনায়,তিনি আরো বলেন, বিগত ১৭ বছরের শাসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ সময় ধরে দেশে স্বৈরাচারী শাসন চালিয়ে অবশেষে গণরোষের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের দেওয়া ভোটে ক্ষমতায় এসে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, মন্দির ও রাস্তাসহ: প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক কাজ করতে না পারে, তবে ভবিষ্যতে মানুষ আর বিএপিকে ভোট দেবে না। অতীতের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এখন থেকেই নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নের মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এবং নেতা কর্মীদের সাধারণ জনগনের পাশে থেকে মানবিক কাজ করার ও আহ্বান জানান তিনি। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক আবেদ। সম্মেলনের উদ্বোধন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি নিশ্চিত করেন উপজেলা বিএনপির শদস্য রফিক উল্লা পাটোয়ারী, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক শাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, সাবেক সভাপতি শামছুতীবরিজ স্বপন এবং উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রূপক।এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌমুহনী পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার টিপু, সদস্য সচিব মোশাররফ হোসেন সাগর এবং চৌমুহনী সরকারি এস. এ. কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক টি. আই. শুজন। এছাড়া, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালী-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের নির্দেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের পেশকারহাট রাস্তার মাথায় দানব আকৃতির ১৪টি অবৈধ বালুভর্তি ট্রাক আটক করা হয়েছে।শনিবার (২৯ আগষ্ট) এ অভিযানে স্থানীয় বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া বিএসসির নেতৃত্বে ট্রাকগুলো আটক করা হয় বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।এদিকে, অবৈধ বালুভর্তি ট্রাক আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সড়কে আরও অসংখ্য বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে একদিকে পরিবেশ ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে ভারী ও অতিরিক্ত বালুবাহী যানবাহনের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলেও ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে সকল অবৈধ বালুর গাড়ি চলাচল বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।তবে এ ঘটনায় আটক ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিদ্ধান্ত কী—তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ আরিফ খান ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ বুধবার (২৬ আগষ্ট-২০২৬) বাদ যোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে আরিফের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা যায়, গত প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার রামনারায়নপুর গ্রামের শামসুল হক প্রফেসর (মাইজের)বাড়ি। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহেরের ৬ সন্তানের মধ্যে ৫ম ছিলেন আরিফ খান। তাঁর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন সহপাঠী ও বন্ধুবান্ধবদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
সোনাইমুড়ী থানাধীন পশ্চিম বজরা শাহী মসজিদ রোডস্থ মোঃ শফি উল্লাহ এর চায়ের দোকানের সামনে রাজর উপর। জেলা-নোয়াখালী। আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ মোঃ কামাল প্রকাশ কানু (৩৭), পিতা-মৃত মোবারক উল্লা, মাতা- সালমা খাতুন, স্ত্রী তসলিমা খাতুন, সাং-বজরা (জহির উদ্দিন হাজী বাড়ি), ০৭নং ওয়ার্ড, বজরা ইউ.পি, থানা-সোনাইমুড়ী, জেলা-নোয়াখালী। এনআইডি-১৯৮৯৯১২৪৯০০২১৯। আলামতঃ ১। একটি সাদা টিস্যু কাগজে মোড়ানো স্বচ্ছ পলি প্যাকেটের ভিতর লালচে বর্ণের মিথাইল এ্যাম্ফিাটিমিনযুক্ত ইয়াব নামীয় ট্যাবলেট ৩৩ (তেত্রিশ) পিস, যাহার ওজন ০৩ (তিন) গ্রাম ও ২। মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত SYMPHONY Hero 20 মডেলের সিমযুক্ত বার্টন মোবাইল-০১ (এক) টি। ধারা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৩৬ (১) এর সারনির ক্রমিক নং-১০ (ক) গৃহীত আইনগত ব্যবস্থাঃ গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মো: কামাল প্রকাশ কানু (৩৭) এর বিরুদ্ধে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পরিদর্শক ডিএনসি
সোনাইমুড়ি থানাধীন বজরা ইউপির ০৭ নং ওয়ার্ডের বজরা উত্তর সাকিনস্থ ধৃত আসামী ছাব্বির হোসেন এর বসত ঘরের পশ্চিম কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ১। ছাব্বির হোসেন(২২), পিতা-নুর নবী, মাতা-রৌশন আক্তার, সাং-উত্তর বজরা(আকরাম আলী বাড়ি), ০৭ নং ওয়ার্ড, থানা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালীকে আটক করে এবং তাহাদের দেহ তল্লাশি করিয়া ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিয়ের গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলা ও এলোপাতাড়ি গুলিতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এক ক্যামেরাম্যানসহ অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের মৌশাকপুর গ্রামের গাজীটোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলেন- নজরুল ইসলাম শান্ত, মারুফ আহাম্মেদ, জসিম উদ্দিন, সাকিব হোসেন ও বাবলু। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম শান্ত জানান, তিনটি মোটরসাইকেল, দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন নারীসহ আমরা একটি বিয়ের গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে ভিডিও করতে যাচ্ছিলাম। ওই সময় পেছন দিক থেকে আমাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা ও এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়। এতে তারা মোটরসাইকেল থেকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় তাদের সঙ্গে পাঁচজনের মাথায়, হাতে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় হারুন ও পিচ্চি রিয়াদকে চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় পিচ্চি রিয়াদ আমাকে জামায়াত-শিবির করি বলে মন্তব্য করে পায়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, হারুন ও রায়হানের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূলত হারুন ও তার লোকজন তাদের প্রতিপক্ষ রায়হানের লোকজন ভেবেই গুলি চালায় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হারুন ও পিচ্চি রিয়াদের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, মোটরসাইকেল আরোহীদের পেছন থেকে গুলি করা হলে তিনজন ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন। আহতদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তনাধীন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ১৪ দিন বয়সী সন্তানকে বৃষ্টির পানি রাখার ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নবজাতকের মা ফাতেমা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট সংলগ্ন বাজার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক ওই বাড়ির সৌরভ হোসেন ও ফাতেমা বেগম দম্পতির ছেলে। ফাতেমা বেগম উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের শরীফ উল্যার মেয়ে। স্থানীয়রা জানান, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে ২০২৫ সালে সৌরভের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। এরপর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে নবজাতক নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রথমে তিনি দাবি করেন, পেছন থেকে তাকে মাথায় আঘাত করে কে বা কারা শিশুটিকে নিয়ে গেছে। পরে বলেন, জিনে নিয়ে গেছে। এতে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে ঘরে থাকা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফাতেমা সন্তানকে ড্রামের পানিতে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেন। নবজাতক জ্বালাতন করত, ঘুম যেত না, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করত, মাকে ঘুমাতে দিত না বলে প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে পেলে তাকে হত্যা করে। বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতককে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মাকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্ত চিকিৎসক পদোন্নতি পেয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদুপরি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন বাতিল থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্ত দুই চিকিৎসক নিয়মিত বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন নিহত প্রসূতির বাবা এবং সেনবাগ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম এ আউয়াল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে প্রসবজনিত জটিলতা নিয়ে নোয়াখালী সদর উপজেলার মাইজদী এলাকার সাউথ বাংলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তার অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে উম্মে সালমা নিশিকে। স্বজনদের অভিযোগ, রোগীকে নিয়ম মেনে ভর্তি না করে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এবং অভিভাবকের লিখিত সম্মতি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে অস্ত্রোপচার (সিজার) করা হয়। ফলে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও তার নবজাতক সন্তান মারা যান। এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) ডা. মোহাম্মদ আক্তার হোসেন (অভি) এবং নোয়াখালী মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) জুনিয়র লেকচারার ডা. ফৌজিয়া ফরিদকে অভিযুক্ত করা হয়। এম এ আউয়াল জানান, বিচার চেয়ে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ তিনি সুধারাম আমলি আদালতে দুই চিকিৎসকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনার তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিএমডিসির পৃথক তদন্তেও ওই চিকিৎসকদের অবহেলা ও অনিয়ম প্রমাণিত হয়। অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে বিএমডিসি ওই দুই চিকিৎসকের ডাক্তারি নিবন্ধন তিন বছরের জন্য বাতিল করে। তবে কোনো প্রশাসনিক শাস্তি না দিয়ে উল্টো অভিযুক্ত অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, আদেশ অমান্য করে নিবন্ধন বাতিল থাকা সত্ত্বেও দুই চিকিৎসক একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে চেম্বার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে দ্রুত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিএমডিসি এবং স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান তিনি।

নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, চিকিৎসকদের অবহেলা ও অপচিকিৎসার কারণেই তার সুস্থ অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ও গর্ভের নবজাতক সন্তান মারা যায়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বিএমডিসি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে তিন বছরের জন্য চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন ওরফে অভি ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের সনদ ও নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে। শুধু তাই নয় জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিএমডিসির পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রচার করা হয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএম ডিসির সনদ স্থগিত থাকার পরও তারা নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা ও প্রাইভেট প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। একইসঙ্গে ফৌজিয়া ফরিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এ সময় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত, তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায় পরিবারটি।

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টেস্টে অজিদের ঘরে মাঠে হারানোর কৃতিত্ব অর্জন করল টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনার তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং ৯ উইকেট নিয়েছেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ। এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৫৭ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। সহজ লক্ষ্য পেয়ে উইকেট ১ হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করেছিল। তারপর অস্ট্রেলিয়াকে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করল। স্বাগতিকের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। অস্ট্রেলিয়া ৫৬ রানের লিড নিয়ে এই ইনিংস শেষ করে। রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় ডারউইনে জিততে বাংলাদেশের দরকার ৫৭ রান গ্রিন একটা সময় বাংলাদেশের জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠেছিলেন। তাকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেয় টাইগাররা। দলগত ২৭৮ রানে ৯ উইকেট হারায় অজিরা। আর পেরে ওঠেনি। মেহেদী হাসান মিরাজ তার পঞ্চম উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের অলআউট করেন। শেষ ব্যাটার হিসেবে নাথান লায়ন এলবিডব্লিউ হন। তার আগে চতুর্থ দিন প্রথমবার বল হাতে নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান হাসান মাহমুদ। অফস্টাম্প বরাবর ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তিনি। ২০১ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ১০৪ রানে থামেন গ্রিন। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় উইকেট তুলে নেন। ম্যাচে ৯ উইকেট হয় তার। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ৯৫ রানে জীবন পান গ্রিন। অজি ব্যাটার সুযোগ কাজে লাগিয়ে করে শতক হাঁকান। কিন্তু দলের কঠিন পরিস্থিতিতে সেঞ্চুরি করলেও ইনিংস বাড়াতে পারলেন না তিনি। এর আগে লাঞ্চ থেকে ফিরে তৃতীয় ওভারে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার অষ্টম উইকেটের পতন ঘটায়। ৮৭তম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল স্টার্ককে লিটন দাসের ক্যাচ বানান তাসকিন আহমেদ। ৩৪ বলে দুই চারে ১৮ রান করেন স্টার্ক। ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৪৩ রানের। ২৫০ রানে ৮ উইকেট নেই অস্ট্রেলিয়ার। ২২ রানের লিড তাদের। চতুর্থ দিনেও প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। এই সেশনে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাই লড়েছেন ক্যামেরন গ্রিন। তার হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৫ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চে যায়। গ্রিন ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ টেস্ট রান ৮৫ ও মিচেল স্টার্ক ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। মিরাজ প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিন জাদুতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্সকে ফেরান। বাংলাদেশি অফস্পিনারের বোলিং নৈপুণ্যে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু গ্রিন ও স্টার্কের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংস লিড নেয় স্বাগতিকরা। রোববার প্রথম সেশন শেষে তাদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪৩ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল অজিরা। দিনের সপ্তম ওভারে তারা পঞ্চম উইকেট হারায়। ক্যারিকে ফিরিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভেঙে দেন মিরাজ। ক্যারি ৭২ বলে ৩০ রান করে লিটন দাসের ক্যাচ হন। ১৩ মাস পর ও ১৩ ইনিংসে প্রথম হাফ সেঞ্চুরিতে অপরাজিত গ্রিনের সঙ্গে ক্রিজে থাকতে পারেননি ওয়েবস্টার। মিরাজ তাকে ৫ রানে বোল্ড করেন। ১০৯ বলে ২ চারে ফিফটি করা গ্রিনকে সঙ্গ দিতে নেমে প্যাট কামিন্স মাত্র ৮ রান করে সাদমান ইসলামের ক্যাচ হন। তাকেও ফেরান মিরাজ। এটি ছিল নতুন দিনে তার তৃতীয় ও ইনিংসে চতুর্থ উইকেট। ২০৭ রানে সপ্তম উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়ার। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে খেলতে নেমেছিল।

বিজ্ঞান, মেধা ও প্রগতির দুরন্ত ছন্দে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশ্ব জয় করল বাংলাদেশের তিন খুদে রোবোটিক্স উদ্ভাবক। সেন্ট যোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির তিন মেধাবী শিক্ষার্থী—আলবি আহমেদ খান আহনাফ, অরনী শাহা এবং সাফওয়াত জামান আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা Robo RAVE World Championship 2026’-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। জাপানের ওসাকায় আয়োজিত বহুজাতিক এই প্রযুক্তির মহাযুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে প্রথম স্থান ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশের দল ‘Team Atlas’। মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এই তিন শিক্ষার্থী তাদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও অসামান্য প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে বৈশ্বিক মঞ্চকে তাক লাগিয়ে দেয়। লাল-সবুজের পতাকা হাতে ওসাকার মাটিতে দাঁড়িয়ে তাদের এই বিশ্বজয় শুধু সেন্ট যোসেফ নয়; বরং গোটা বাংলাদেশের প্রযুক্তি অঙ্গনের জন্য এক অভূতপূর্ব মাইলফলক। খুদে এই প্রযুক্তিবিদদের অদম্য অধ্যবসায় ও সাফল্য প্রমাণ করেছে, বয়সের সীমানা ছাড়িয়ে স্বপ্ন আর মেধার জোর থাকলে যে কোনো বিশ্বমঞ্চ জয় করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স মানচিত্রে এই গৌরবময় বিজয় বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আধুনিক উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে যেতে যুগান্তকারী অনুপ্রেরণা জোগাবে।