

অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর কবিরহাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ২২০ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কবিরহাট উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ১৪০ জন, কবিরহাট পৌরসভার ৪০ জন এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ও নেওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪০ জনসহ মোট ২২০ জন অসহায় নারীর হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। ‘অসহায়-সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য’ ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো আপস নয়’ সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। ‘অসহায়-সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য’ উদ্ভাবনী কাজে কম সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজ মঞ্জু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সৌরভ হোসেন কামাল, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সহায়তাপ্রাপ্ত নারীরা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বড় বিনিয়োগ করলেও এখনো প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ। তিনি বলেছেন, এআই এজেন্ট তৈরির কাজ প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা অনুযায়ী গতিতে এগোয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এক অভ্যন্তরীণ সভায় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন জুকারবার্গ। সেখানে তিনি বলেন, এআই এজেন্টের উন্নয়ন প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। ফলে নতুন কাঠামোর পুরো সুবিধাও এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। চলতি বছরের শুরুতে মেটা প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। একই সময়ে আরও সাত হাজার কর্মীকে বিভিন্ন এআই বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে এজেন্ট ট্রান্সফরমেশন নামে একটি নতুন দলও রয়েছে। জুকারবার্গ বলেন, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তটি খুব মসৃণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়নি। তবে প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন এআইকেন্দ্রিক কাঠামোর যে সুফলের আশা করা হয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি দেখা যায়নি। তবে আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এআই বিনিয়োগের ইতিবাচক ফল মিলতে শুরু করবে বলে তিনি আশা করছেন। এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেটার নতুন এআই ইউনিটে কাজের চাপ এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে অনেক প্রকৌশলী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে মেটা। প্রতিষ্ঠানটি এখন এআইকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখছে। তবে জুকারবার্গের সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বিপুল বিনিয়োগের পরও এআই এজেন্টকে প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে মেটার আরও সময় প্রয়োজন।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় তিন সন্তানকে ফেলে রেখে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার এবং মালামাল নিয়ে নিশাত আক্তার (৩০) নামে এক কানাডা প্রবাসীর স্ত্রী উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। চাটখিল দক্ষিণ বাজারের একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. রিয়াজ হোসেনের (২৬) সাথে পরকীয়া প্রেমের টানে তিনি ঘর ছেড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ২৮ জুন চারজনের বিরুদ্ধে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন নিশাতের মা মোসা. নাজমা আক্তার (৬০)। প্রেমিক রিয়াজ হোসেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭ নম্বর হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আবু ইউসুফের মেয়ে নিশাত আক্তারের স্বামী দীর্ঘদিন ধরে কানাডা প্রবাসী। স্বামী বিদেশে থাকায় নিশাত তার তিন সন্তান নিয়ে উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে মায়ের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চাটখিল দক্ষিণ বাজারস্থ নোমান হাসপাতালের পেছনের মিজি বাড়ি মসজিদের মুয়াজ্জিন ও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রিয়াজ হোসেন চাটখিলে থাকার সুবাদে নিশাত আক্তারের সঙ্গে গোপনে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে রিয়াজ হোসেন কৌশলে নিশাত আক্তারকে নিয়ে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়ার সময় নিশাত তার তিন সন্তানকে নানার বাড়িতে রেখে যান। নাজমা আক্তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঘর ছাড়ার সময় নিশাত আক্তার ঘর থেকে নগদ ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১৪ জোড়া কানের দুল, ৬টি আংটি, ১টি চেইন ও ২টি ব্রেসলেটসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যান। এছাড়া ঘর থেকে টিভি, হাঁড়ি-পাতিল, ফ্রিজে থাকা মাছ-মাংস এবং ২ লাখ টাকা মূল্যের ১টি স্কুটিসহ যাবতীয় মালামাল নিয়ে যান।পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন নিশাতের শয়নকক্ষ তল্লাশি করে নিশাত ও রিয়াজের একটি যৌথ বিয়ের হলফনামা (এফিডেভিট) উদ্ধার করে। নোয়াখালী নোটারি পাবলিকের কার্যালয় থেকে সম্পাদিত ওই হলফনামা অনুযায়ী, তারা গত ৪ মে পূর্বের কাবিননামা বাতিল করে নতুন করে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে তারা পরিকল্পিতভাবে এই অর্থ ও অলঙ্কার হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিশাত, রিয়াজ, রিয়াজের বাবা খোরশেদ আলম ও মা কুলছুম আক্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাটখিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নিশাতের মা নাজমা আক্তার। নাজমা আক্তার বলেন, আমার মেয়ে নিশাত আক্তার নগদ ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার নিয়ে ঘর ছেড়েছে। পরে তার কক্ষ তল্লাশি করে রিয়াজ ও নিশাতের নামে একটি যৌথ হলফনামা ও এফিডেভিট উদ্ধার করা হয়। তাই আমি নিজেই অভিযোগ করেছি। নিশাতের ভাই ফাহাদ হাসান বলেন, আমার দুলাভাই কানাডা প্রবাসী। তিনি মাটির মানুষ। আমার বোন তার সাথে যা করেছে তা অন্যায় করেছে। আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। এখানে বড় কারো হাত থাকতে পারে। আমরা চাই উপযুক্ত বিচার হোক। এদিকে অভিযুক্ত রিয়াজ ও নিশাতের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চাটখিল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, মেয়ের মা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ ক্লিনশিট রাখার পর অবশেষে প্রথমবারের মতো গোল হজম করল আর্জেন্টিনা। তবে জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিবিহীন দলটি এখনো এগিয়ে রয়েছে ২-১ ব্যবধানে। বিরতির পর বদলি নেমে মুসা আল তামারির গোলে ব্যবধান কমিয়েছে জর্ডান, যদিও এর আগে জিওভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে দুই গোলের লিড গড়ে নিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-তে জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে বিশ্রামে রেখেই মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে জর্ডানের জালে বল পাঠান জিওভানি লো সেলসো। এই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর ২৭তম মিনিটে কর্নার থেকে লাউতারো মার্তিনেজের কাছ থেকে আসা শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের আক্রমণেই ডি-বক্সে মার্কোস সেনেসিকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ৩০তম মিনিটে স্পট-কিক থেকে নিচের বাঁ কোণে বল পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষে অতিরিক্ত ৫ মিনিট যোগ করা হয়। তবে ইনজুরি টাইমেও আর কোনো গোল হয়নি। বিরতির পর দুই পরিবর্তন এনে মাঠে নামে জর্ডান। আলি আজাইজেহ ও ওদেহ ফাখৌরির জায়গায় নামেন মুসা আল তামারি ও মাহমুদ আল মারদি। বদলির প্রভাবও দ্রুত দেখা যায়। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে (৫৪:১৩) এহসান হাদ্দাদের ক্রস থেকে বক্সের মাঝখান থেকে বাঁ পায়ের শটে জালের ওপরের বাঁ কোণে বল পাঠান মুসা আল তামারি। তার এই গোলে ২-১ ব্যবধানে ব্যবধান কমায় জর্ডান। এর মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। একই সঙ্গে চলতি আসরে নিজেদের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব ধরে রাখে জর্ডান। এর আগে ৫৩তম মিনিটে লো সেলসোর পাস থেকে দূরপাল্লার শটে আবারও ক্রসবারে আঘাত করেন লাউতারো মার্তিনেজ। অন্যদিকে ৫১তম মিনিটে মুসা আল তামারির একটি দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল। উল্লেখ্য, ম্যাচের এই পর্যায়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও জর্ডানের আক্রমণে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নিজেদের রক্ষণভাগ ভাঙতে দেখল আর্জেন্টিনা।

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় সাঁতার শিখতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে রমজান হাওলাদার নামে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রমজান হাওলাদার (১১) একই এলাকার মো. রাসেল হাওলাদারের ছেলে এবং স্থানীয় মতইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। নিহতের বাবা রাসেল হাওলাদার বলেন, স্কুল শেষে বিকেলে বাড়ি ফিরে রমজান তার মাকে জানায় যে, সে পুকুরে সাঁতার শিখতে যাবে। এ সময় সে সঙ্গে দুটি প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে ঘর থেকে বের হয়। তবে হঠাৎ একটি মোবাইল ফোনকল আসায় তার মা ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ছেলের সঙ্গে যেতে পারেননি। পরে রমজান একাই পুকুরে যায়। সাঁতার শেখার সময় অসাবধানতাবশত সে পানিতে ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মা পুকুরঘাটে গিয়ে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুর থেকে রমজানকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। সেনবাগ মডেল থানার ওসি আব্দুর রহিম সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ‘অকার্যকর’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ প্রতিষ্ঠান আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দুদকের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়। তারা ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি তোষামোদ করে। প্রতিষ্ঠানটিকে চরিত্র বদলাতে হবে।’ শুক্রবার (০৩ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ব্যারিস্টার খোকন বলেন, ‘দুদকের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি। যে সরকার ক্ষমতায় থাকে, দুদক সেই সরকারের তোষামোদ করে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মানুষকে হয়রানি করা হয়। আর বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ক্লিন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুদকের বর্তমান চরিত্র বদলাতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে অনেক সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে চাকরি হারাতে হয়েছে।’ বর্তমানে দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন ব্যক্তিদের দায়িত্বে আনা উচিত, যারা শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করবেন, কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, দলীয় আনুগত্য বা রাজনৈতিক চাটুকারিতায় জড়াবেন না।’ Politics ব্যাংকিং খাতের সংকটের প্রসঙ্গ টেনে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি বলেন, ‘মানুষের আস্থা কমে যাওয়ায় অনেকেই ব্যাংকে টাকা না রেখে ঘরে জমিয়ে রাখছেন। এতে বিনিয়োগ কমছে, অর্থনীতির গতি মন্থর হচ্ছে এবং বেকারত্ব বাড়ছে।’ এসময় তিনি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন ‘একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার কাজ পাচ্ছে। নিম্নমানের কাজ হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রকৌশলীরা কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল ছাড় করে দিচ্ছেন। কার্যকর তদারকির অভাবে এক বছরের মধ্যেই সড়ক ভেঙে যাচ্ছে।’ তার নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।বলেন, ‘আমার এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বা পুকুরচুরির সুযোগ দেওয়া হবে না।’ কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন ব্যারিস্টার খোকন। তিনি বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যে এলাকার ধান, সেই এলাকা থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। বাইরে থেকে ধান এনে সরবরাহ করা সম্পূর্ণ অবৈধ।’ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারের সদস্যকে অন্তত ১০টি করে গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানান তিনি। কারও চারা কেনার সামর্থ্য না থাকলে নিজের তহবিল থেকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতারও ঘোষণা দেন নোয়াখালী-১ আসনের এই সংসদ সদস্য। ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে আমন ধানের বীজ, মরিচ ও সবজির বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জুনাঈদ আলমের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল, সদস্যসচিব আহসানুল হক মাসুদ, উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. লিটন এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার। পরে ব্যারিস্টার খোকন পুলিশ প্রশাসনকে প্রবাসী পরিবারসহ স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে সে যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের অফিসে বসে না থেকে সরাসরি কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।

অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর কবিরহাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ২২০ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কবিরহাট উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ১৪০ জন, কবিরহাট পৌরসভার ৪০ জন এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ও নেওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪০ জনসহ মোট ২২০ জন অসহায় নারীর হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। ‘অসহায়-সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য’ ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো আপস নয়’ সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। ‘অসহায়-সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য’ উদ্ভাবনী কাজে কম সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজ মঞ্জু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সৌরভ হোসেন কামাল, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সহায়তাপ্রাপ্ত নারীরা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বড় বিনিয়োগ করলেও এখনো প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ। তিনি বলেছেন, এআই এজেন্ট তৈরির কাজ প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা অনুযায়ী গতিতে এগোয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এক অভ্যন্তরীণ সভায় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন জুকারবার্গ। সেখানে তিনি বলেন, এআই এজেন্টের উন্নয়ন প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। ফলে নতুন কাঠামোর পুরো সুবিধাও এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। চলতি বছরের শুরুতে মেটা প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। একই সময়ে আরও সাত হাজার কর্মীকে বিভিন্ন এআই বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে এজেন্ট ট্রান্সফরমেশন নামে একটি নতুন দলও রয়েছে। জুকারবার্গ বলেন, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তটি খুব মসৃণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়নি। তবে প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন এআইকেন্দ্রিক কাঠামোর যে সুফলের আশা করা হয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি দেখা যায়নি। তবে আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এআই বিনিয়োগের ইতিবাচক ফল মিলতে শুরু করবে বলে তিনি আশা করছেন। এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেটার নতুন এআই ইউনিটে কাজের চাপ এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে অনেক প্রকৌশলী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে মেটা। প্রতিষ্ঠানটি এখন এআইকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখছে। তবে জুকারবার্গের সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বিপুল বিনিয়োগের পরও এআই এজেন্টকে প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে মেটার আরও সময় প্রয়োজন।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় তিন সন্তানকে ফেলে রেখে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার এবং মালামাল নিয়ে নিশাত আক্তার (৩০) নামে এক কানাডা প্রবাসীর স্ত্রী উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। চাটখিল দক্ষিণ বাজারের একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. রিয়াজ হোসেনের (২৬) সাথে পরকীয়া প্রেমের টানে তিনি ঘর ছেড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ২৮ জুন চারজনের বিরুদ্ধে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন নিশাতের মা মোসা. নাজমা আক্তার (৬০)। প্রেমিক রিয়াজ হোসেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭ নম্বর হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আবু ইউসুফের মেয়ে নিশাত আক্তারের স্বামী দীর্ঘদিন ধরে কানাডা প্রবাসী। স্বামী বিদেশে থাকায় নিশাত তার তিন সন্তান নিয়ে উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে মায়ের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চাটখিল দক্ষিণ বাজারস্থ নোমান হাসপাতালের পেছনের মিজি বাড়ি মসজিদের মুয়াজ্জিন ও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রিয়াজ হোসেন চাটখিলে থাকার সুবাদে নিশাত আক্তারের সঙ্গে গোপনে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে রিয়াজ হোসেন কৌশলে নিশাত আক্তারকে নিয়ে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়ার সময় নিশাত তার তিন সন্তানকে নানার বাড়িতে রেখে যান। নাজমা আক্তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঘর ছাড়ার সময় নিশাত আক্তার ঘর থেকে নগদ ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১৪ জোড়া কানের দুল, ৬টি আংটি, ১টি চেইন ও ২টি ব্রেসলেটসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যান। এছাড়া ঘর থেকে টিভি, হাঁড়ি-পাতিল, ফ্রিজে থাকা মাছ-মাংস এবং ২ লাখ টাকা মূল্যের ১টি স্কুটিসহ যাবতীয় মালামাল নিয়ে যান।পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন নিশাতের শয়নকক্ষ তল্লাশি করে নিশাত ও রিয়াজের একটি যৌথ বিয়ের হলফনামা (এফিডেভিট) উদ্ধার করে। নোয়াখালী নোটারি পাবলিকের কার্যালয় থেকে সম্পাদিত ওই হলফনামা অনুযায়ী, তারা গত ৪ মে পূর্বের কাবিননামা বাতিল করে নতুন করে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে তারা পরিকল্পিতভাবে এই অর্থ ও অলঙ্কার হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিশাত, রিয়াজ, রিয়াজের বাবা খোরশেদ আলম ও মা কুলছুম আক্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাটখিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নিশাতের মা নাজমা আক্তার। নাজমা আক্তার বলেন, আমার মেয়ে নিশাত আক্তার নগদ ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার নিয়ে ঘর ছেড়েছে। পরে তার কক্ষ তল্লাশি করে রিয়াজ ও নিশাতের নামে একটি যৌথ হলফনামা ও এফিডেভিট উদ্ধার করা হয়। তাই আমি নিজেই অভিযোগ করেছি। নিশাতের ভাই ফাহাদ হাসান বলেন, আমার দুলাভাই কানাডা প্রবাসী। তিনি মাটির মানুষ। আমার বোন তার সাথে যা করেছে তা অন্যায় করেছে। আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। এখানে বড় কারো হাত থাকতে পারে। আমরা চাই উপযুক্ত বিচার হোক। এদিকে অভিযুক্ত রিয়াজ ও নিশাতের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চাটখিল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, মেয়ের মা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ ক্লিনশিট রাখার পর অবশেষে প্রথমবারের মতো গোল হজম করল আর্জেন্টিনা। তবে জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিবিহীন দলটি এখনো এগিয়ে রয়েছে ২-১ ব্যবধানে। বিরতির পর বদলি নেমে মুসা আল তামারির গোলে ব্যবধান কমিয়েছে জর্ডান, যদিও এর আগে জিওভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে দুই গোলের লিড গড়ে নিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-তে জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে বিশ্রামে রেখেই মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে জর্ডানের জালে বল পাঠান জিওভানি লো সেলসো। এই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর ২৭তম মিনিটে কর্নার থেকে লাউতারো মার্তিনেজের কাছ থেকে আসা শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের আক্রমণেই ডি-বক্সে মার্কোস সেনেসিকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ৩০তম মিনিটে স্পট-কিক থেকে নিচের বাঁ কোণে বল পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষে অতিরিক্ত ৫ মিনিট যোগ করা হয়। তবে ইনজুরি টাইমেও আর কোনো গোল হয়নি। বিরতির পর দুই পরিবর্তন এনে মাঠে নামে জর্ডান। আলি আজাইজেহ ও ওদেহ ফাখৌরির জায়গায় নামেন মুসা আল তামারি ও মাহমুদ আল মারদি। বদলির প্রভাবও দ্রুত দেখা যায়। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে (৫৪:১৩) এহসান হাদ্দাদের ক্রস থেকে বক্সের মাঝখান থেকে বাঁ পায়ের শটে জালের ওপরের বাঁ কোণে বল পাঠান মুসা আল তামারি। তার এই গোলে ২-১ ব্যবধানে ব্যবধান কমায় জর্ডান। এর মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। একই সঙ্গে চলতি আসরে নিজেদের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব ধরে রাখে জর্ডান। এর আগে ৫৩তম মিনিটে লো সেলসোর পাস থেকে দূরপাল্লার শটে আবারও ক্রসবারে আঘাত করেন লাউতারো মার্তিনেজ। অন্যদিকে ৫১তম মিনিটে মুসা আল তামারির একটি দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল। উল্লেখ্য, ম্যাচের এই পর্যায়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও জর্ডানের আক্রমণে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নিজেদের রক্ষণভাগ ভাঙতে দেখল আর্জেন্টিনা।

মার্কিন বাহিনীর নতুন হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার পর টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের উপকূলীয় এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন বাহিনী ইরানের সিরিক, বান্দার-এ-লেঙ্গেহ ও কেশম দ্বীপে হামলা চালায়। এর আগে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিল ওয়াশিংটন। এর প্রতিক্রিয়ায় বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি’ প্রতিহত করতে কাজ করছে। এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। লেবানন সরকারের সঙ্গে সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পরই এ হামলা চালানো হলো। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ইসরায়েলের চুক্তি লঙ্ঘন ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগিতা চেয়েছেন। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ চুক্তিটিকে ‘লেবাননের সার্বভৌমত্বের কাছে আত্মসমর্পণ’ বলে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সূত্র: আলজাজিরা

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের যোগ করা সময়ে পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। ডিফেন্ডার ডাভিনসন সানচেজ বল জালে পাঠানোর পর জয় নিশ্চিত হয়েছে বলেই মনে হচ্ছিল কলম্বিয়ার। যদিও উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, আক্রমণের সূচনালগ্নে মিলিমিটারের ব্যবধানে অফসাইড ছিল। সেই কারণে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। নাটকীয় এই সিদ্ধান্তে হার এড়িয়ে স্বস্তির ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। এই ড্রয়ের ফলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘কে’-এর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কলম্বিয়া। অন্যদিকে ৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলো নয়, রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করেছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর দল। গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়ায় নকআউটে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পর্তুগাল। আগামী ২ জুলাই রাউন্ড অব ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ হবে গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়া। একই দিনে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কলম্বিয়া নিজেদের নকআউট ম্যাচে আফ্রিকার প্রতিনিধি ঘানার মুখোমুখি হবে। এদিকে গ্রুপ ‘কে’ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে ডিআর কঙ্গো। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার পাশাপাশি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে উজবেকিস্তানকে।

ভাগ্য যেন শেষ মুহূর্তে থামিয়ে দিল ইরানকে। মিসরের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সরাসরি ওঠার সুযোগ হারাল তারা। তবে শেষ ৩২-এ যাওয়ার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর এখনও নির্ভর করছে তাদের ভাগ্য। ফলে বাকিদের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া ইরানের আর উপায় নেই। সিয়াটলে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘জি’-এর এই ম্যাচে ড্রয়ের পর তিন ম্যাচ শেষে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করে ইরান। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা হয় বেলজিয়াম। ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করে তারকা ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহের মিসর। ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় ইরান। মাত্র ৫ মিনিটে গোল করে মিসরকে এগিয়ে দেন মাহমুদ সাবের, যা এই আসরে মিসরের দ্রুততম গোল। তবে দ্রুতই পাল্টা জবাব দেওয়ার সুযোগ পায় ইরান। ১১ মিনিটে পেনাল্টি পেলেও মেহেদি তারেমির শট ঠেকিয়ে দেন মিসর গোলরক্ষক আহমেদ শোবেন। যদি ঘানা ক্রোয়েশিয়াকে হারায়, ডিআর কঙ্গো উজবেকিস্তানের সঙ্গে জিততে না পারে, অথবা অস্ট্রিয়া-আলজেরিয়া ম্যাচে কোনো একটি দল জয় পায়—তাহলেই নকআউটের টিকিট পেতে পারে ইরান। ম্যাচের রোমাঞ্চ তখনও বাকি। ম্যাচের ১৪ মিনিটে সমতা ফেরে ইরান। মিলাদ মোহাম্মাদির শট ফিরিয়ে দিলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন রামিন রেজায়ান। এটি চলমান বিশ্বকাপে তার দ্বিতীয় গোল। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি কিছুটা কমে আসে। ৫৭ মিনিটে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন মিসরের তারকা মোহাম্মদ সালাহ। শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা চরমে ওঠে। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে উল্লাসে মেতেছিল ইরান। কিন্তু ভিএআরে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। কার্যত ম্যাচের ফলাফল এখানেই শেষ। এরপর সাইয়েদ এজাতোলাহির জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে জয় হাতছাড়া হয়। তাতে সুযোগ মিস আর দুর্ভাগ্যকে সঙ্গী করে ম্যাচ শেষ করে ইরান। মিসরের বিপক্ষে জয় না পেলেও এখনও শেষ ৩২-এ ওঠার সম্ভাবনা টিকে আছে ইরানের। তবে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর দিকে। যদি ঘানা ক্রোয়েশিয়াকে হারায়, ডিআর কঙ্গো উজবেকিস্তানের সঙ্গে জিততে না পারে, অথবা অস্ট্রিয়া-আলজেরিয়া ম্যাচে কোনো একটি দল জয় পায়—তাহলেই নকআউটের টিকিট পেতে পারে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্ম্পকের টানাপোড়নে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা ছিল ইরানের। শেষ পর্যন্ত অংশ নিলেও ট্রাম্পের দেশে খেলা ছাড়া অবস্থান করছে না তারা। টানা ভ্রমণের মাঝেও গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ছিল ইরান। তিন ম্যাচে কোনটা না হেরেও শেষবেলায় নির্মম ভাগ্যের কাছে আটকে গেল পারস্যের দলটি।

ইতালির রাজধানী রোমে দুষ্কৃতিকারীর ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলের পিনেতা সাচেত্তি সংলগ্ন ভিয়া মন্তিগ্লো এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ঘটেছে এ নৃশংস ঘটনা। নিহতদের মধ্যে পরিবারের প্রধান কামাল হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জে। দীর্ঘদিন ধরে সপরিবারে ইতালিতে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। নিহত বাকি ২ জন হলেন কামাল হোসেনের স্ত্রী এবং ৫ বছর বয়সী মেয়ে। দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন কামাল হোসেনের বড় ছেলে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় গণমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, সেদিন রাতে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি অস্ত্র হাতে ওই ফ্ল্যাটে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীর অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কামাল হোসেন, তার স্ত্রী এবং তাদের ৫ বছর বয়সী কন্যাসন্তান। এসময় কামালের ১৮ বছর বয়সী ছেলে হামলাকারীকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় সে সাহায্যের জন্য ফ্ল্যাট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ইতালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী কারাবিনিয়েরির সদস্যরা পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার বড় ছেলেকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে অভিযান শুরু করেছে রোম পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং হামলাকারীকে গ্রেপ্তারে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ইতালীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ছেলেটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল। ইতালীয় পুলিশের বিশেষ তদন্ত ইউনিট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এটি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি নাকি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতার জেরে ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘাতককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় বাংলাদেশিরা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঘাতককে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। রোম পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, “এটি মর্মান্তিক, লোমহর্ষক অপরাধ। অপরাধীকে গ্রেপ্তারে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি।” ইতালীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে নিহতদের পরিচয় ও মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে অগ্রগতির বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

সুবর্ণচরে বিদ্যুৎ খুঁটি চোর চক্র সক্রিয় চোরাই কৃত খুটি স্থাপন করে সংযোগ নেয়ার চেষ্টা। নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা চর আমানউল্লাহ ইউনিয়নের ১নং কাটাবুনিয়া এলাকার কবিরের বাড়িতে চোরাইকৃত বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপন করে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে কয়েকটি পরিবার। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় সাংবাদিকরা উক্ত বাড়িতে সরেজমিনে তদন্তে এসে তার সত্যতা পায়। এ বিষয়ে পরিবারের লোকজন বলেন,এটি তারা বিদ্যুৎ অফিসের লোক পরিচয়ে চর ক্লার্কের তাজুল ইসলামের ছেলে আবুল কাশেম নামে এক ব্যাক্তি থেকে কিনেছেন এবং স্থাপন করেছেন। কিন্তু আবুল কাশেমের নাম্বারে ফোন করলে কাশেম সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন । কাশেম ছাড়া ও সুবর্ণচরের বিদ্যুৎ খুঁটিসহ বিদ্যুৎ ক্যাবল, ট্রান্সমিটার চুরির সাথে জড়িত আছে চরক্লার্ক কেরামতপুরের মৃত কালা মিয়ার ছেলে লিটন। এরা সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুৎতের পিলার ও তার চুরির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানিয়েছে এলাকাবাসী,চোর চক্রের সিন্ডিকেট কাশেম সেই সিন্ডিকেট চক্রের প্রধান। এ বিষয়ে ২২ জুন, সোমবার সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুৎতের জিএম আরব আলী ও এজিএম সুমন কুমারের সাথে আলাপ কালে তারা এ বিষয়টি আগে জানেননা বলে জানান ২১ জুনের একটি আবেদন আমাদের দেখান এবং এই খুঁটিকে অবৈধ স্বীকার করে একদিনের মধ্যে খুঁটিটি তুলে এনে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ও লিটন এর বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান অভিযোগের বিষয় টি নিশ্চিত করে বলেন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকাবাসী পিলার চোরদের বিচার দাবী করেন।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, দেশের পারমাণবিক শক্তি দ্রুত বাড়ানো এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের হুমকি মোকাবিলায় এই নীতি প্রয়োজন। তিনি জানান, উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে বাড়াবে। দেশটি যুদ্ধজাহাজেও পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। কিম জং-উন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক জোটের কারণে দেশটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই প্রতিরক্ষা শক্তি আরও বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া এখন এমন একটি বড় ও ছড়িয়ে থাকা পারমাণবিক ব্যবস্থা তৈরি করছে, যাতে একবার হামলা হলেও পুরো ক্ষমতা ধ্বংস করা না যায়। তারা বলছেন, দেশটি রেল, সড়ক, সাবমেরিন এবং ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা শক্তিশালী করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সাম্প্রতিক ইরান সংকট উত্তর কোরিয়াকে আরও সতর্ক করেছে। তাদের ধারণা, পারমাণবিক অস্ত্র না থাকলে কোনো দেশ বড় ধরনের হামলার ঝুঁকিতে পড়ে। উত্তর কোরিয়া দাবি করছে, তাদের অস্ত্রভাণ্ডার তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এটি আরও বাড়ানো হবে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান