

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে আবারও ব্যর্থ হয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি। তাই শেষবারের মতো আরও ৬ মাস সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজিব ও বিচারপতি সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটকারী আইনজীবী শিশির মনির ও মঞ্জিল মোরশেদ তদন্ত কর্মকর্তাকে তলবের আবেদন জানায়। পরে হাইকোর্ট জানায় সাগর রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি হওয়া প্রতিবেদন হাইকোর্টের কাছে পাঠিয়েছেন টাস্কফোর্স কমিটি। পরে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে আরও ৬ মাস সময় চান অ্যাটর্নি জেনারেল। পরে রিটকারী আইনজীবীরা ৩ মাস সময় দিতে বলেন। পরে ৬ মাসের সময় দেন হাইকোর্ট। সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমা আরও ৬ মাস পেছাল কাতারে আটকে থাকা নাগরিকদের দেশে ফিরতে বলল আফগানিস্তান এদিন আলোচিত এ মামলায় ১৩ বছরেও চার্জশিট দিতে না পারায় তা বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ এবং তদন্তের জন্য ছয় মাস সময় দিয়েছিলেন। পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স এই মামলাটি তদন্ত করছে। সর্বশেষ গত বছরের ২৩ অক্টোবর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটিকে ৬ মাসের সময় দিয়েছিলেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক সাগর ও রুনি খুন হন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক ছাত্রীকে (১৯) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন (৪৯) কুতুবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার রাতে পশ্চিম মির্জা নগর গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২০ এপ্রিল দুই স্কুল শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। গ্রেপ্তার দেলোয়ার উপজেলার পূর্ব মির্জা নগর গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে। অপরদিকে মামলার অন্য আসামিরা হলেন, শংকর চন্দ্র মজুমদার (৪৮), তিনি তিন তক্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এ ছাড়া আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার প্রাইভেট পড়ার সুবাদে শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় হয়। তখন ছাত্রীর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ দেলোয়ার হোসেন ছাত্রীকে একটি প্রাইভেট রুমে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে দিয়ে জোরপূর্বক কিছু আপত্তিকর স্বীকারোক্তি কাগজে লিখিয়ে নেন ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে ওই ভিডিও ও কাগজের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক স্থানে ধর্ষণ করা হয়। মামলার অপর আসামি শংকর চন্দ্র মজুমদার এই কাজে সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ভুক্তভোগী ছাত্রীর অন্যত্র বিয়ে হয়। কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত হননি অভিযুক্ত দেলোয়ার। তিনি ছাত্রীর স্বামীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। এর ফলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর আসামিরা পুনরায় তাকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দিতে থাকে এবং টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। সর্বশেষ গত ১৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী ছাত্রী নোয়াখালী মহিলা কলেজে অনার্স পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় আসামিরা তার পথরোধ করে পুনরায় কুপ্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী ছাত্রী প্রথমে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে তিনি আদালত অভিযোগ দায়ের করলে আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ২৭শ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের কালামচর মুক্তারিয়া এলাকার ঘাটে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (৪৫) একই ইউনিয়নের আজিমনগর গ্রামের মজল করিমের ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের কালামচর সুইচ ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট ও হাতিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে ‘মা-বাবার দোয়া বরফ কল’ সংলগ্ন এলাকা থেকে ১৫টি ব্যারেলে সংরক্ষিত ২৭শ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি কবির হোসেন আরও বলেন, জব্দ ডিজেল জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়। এ ঘটনায় হাতিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর সেনবাগে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সিমেন্টবাহী কভার্ড ভ্যানে পেছন থেকে ট্রাকের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার এসআই মিল্টন মণ্ডল। নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির অলংকারকাঠি গ্রামের আল আমিন (৫৫) ও ট্রাকচালক মো. ফয়সাল (৩৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন নার্সারিতে গাছের চারা সরবরাহ করতেন। শুক্রবার ভোরে তিনি ট্রাকে করে মাইজদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাহ সিমেন্টের একটি কভার্ড ভ্যানকে পেছন থেকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আল আমিন ও চালক ফয়সালের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় ট্রাকের সামনের আসনে থাকা আরেক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে গোলাগুলি হয়েছে। ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের নৈশভোজের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে। একই জায়গাতেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানও হামলার শিকার হয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন হিলটনে ১৯৮১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। ওই বছরের ৩১ মার্চ হোটেলের ভেতরে একটি বক্তব্য শেষ করে লিমুজিনে ফেরার পথে রিগ্যানের ওপর গুলি চালানো হয়। জন হিঙ্কলি জুনিয়র নামের এক অস্ত্রধারী এ হামলা চালান। একই হোটেলে হামলার শিকার হয়েছিলেন আরেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে গুলি, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ওই হামলায় রিগ্যান প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন। একটি গুলি প্রেসিডেন্টের লিমুজিনের পাশে লেগে প্রতিফলিত হয়ে তার শরীরে আঘাত করে। এতে তার একটি পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় এবং ফুসফুসে ছিদ্র হয়। তাকে দ্রুত কাছের জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসার পর ১১ এপ্রিল তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। বিবিসি জানিয়েছে, হামলায় তৎকালীন হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি জেমস ব্রাডিও আহত হন। পাশাপাশি একজন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট এবং স্থানীয় পুলিশ বিভাগের একজন কর্মকর্তাও গুলিবিদ্ধ হন। ব্র্যাডি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এর ফলে তিনি সারাজীবনের জন্য প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এই আঘাতজনিত জটিলতায় পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তার মৃত্যু হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিঙ্কলিকে মানসিক অসুস্থতার কারণে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। তবে তাকে ওয়াশিংটনের সেন্ট এলিজাবেথ হাসাপাতালের উচ্চ নিরাপত্তা বিভাগে রাখা হয় এবং ২০১৬ সালে মুক্তি দেওয়া হয়। আজও হোটেলের দেয়ালে একটি ফলক রয়েছে, যা সেই গুলির ঘটনার স্থানকে চিহ্নিত করে।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই সিদ্ধান্তে নিয়ে এখনও হাহুতাশ করেন অনেকে। বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টাইগাররা। তাই বিশ্বকাপে যেতে না পারার আক্ষেপের প্রসঙ্গ ঘুরেফিরেই আসছে। তবে কিউই স্পিনার ইশ সোধি দারুণ এক টোটকা দিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উদ্দেশে। বিশ্বকাপ দুঃখ ভুলে পরের বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাছাড়া, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, রিপন মণ্ডলদের উদ্দেশেও দিলেন উজ্জীবিত হওয়ার বার্তা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে সোধি বলেন, ‘জানি না এটা তাদের মানসিকভাবে কতটা প্রভাব ফেলবে। সবাই নিশ্চয়ই পরের বিশ্বকাপে অনেক ভালো করতে চাইবে। অতীতে যা চলে গেছে তা নিয়ে ভেবে লাভ নেই।’ সোধির চাওয়া, রিপন-সাকলাইনরা যেন পরবর্তী বিশ্বকাপে ভালো করার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে থাকেন। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশ খুব ভালো দল। এখন তরুণরা আসছে, কেউ কেউ এই প্রথম খেলবে। তারা নিশ্চয়ই এটা ভাববে, আমি আমার হোম ক্রাউডের সামনে দেশের হয়ে খেলছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২ বছর পরপর হয়; ব্যাপারটা দারুণ। তাই বিশ্বকাপের জন্য তারা এখনই তৈরি হওয়ার সুযোগ পাবে। যেটা চলে গেছে তা তো চলেই গেছে। সামনের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ তারা পাচ্ছে।’ বিশ্বকাপে না খেলার সেই দুঃখ মনে করিয়ে ভোলারও টোটকা দিলেন সোধি এ সময় বাংলাদেশ দলের প্রশংসাও করেন তিনি। বললেন, ‘বাংলাদেশ খুব প্যাশনেট ক্রিকেট জাতি। ছেলেরা খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ আশা করছি। হ্যাঁ এটা বেশ কঠিন। দলে নতুন অনেকে আছে। অভিজ্ঞরাও আছে, লিটন, হৃদয়ের মতো। আমাদের তাদের স্পিনের বিপক্ষেও মানিয়ে নিতে হবে।’ ২০১৩ সালে বাংলাদেশে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন সোধি। মাঝখানে এসেছেন অনেকবার। দীর্ঘদিন পর আবারো বাংলাদেশে আসতে পেরে প্রকাশ করেছেন উচ্ছ্বাস। তিনি বলেন, ‘আমরা এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। আমি এই জায়গাকে চিনতাম চিটাগং হিসেবে। এখন দেখছি চট্টগ্রাম। জানি না কেন নাম বদলে গেল। বাংলাদেশে আগে টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি আমার। এই কন্ডিশনে তারা বেশ ভালো দল। তাই এখানে এসে খেলতে সবসময় ভালো লাগে। আমাদের দলে নতুন অনেক খেলোয়াড় আছে। তাদের নিয়ে খেলতে নামা নতুন এক অভিজ্ঞতা।

ইরানের চাহারবাগ শহরের আঘদাসিয়েহ এলাকায় একটি আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন লেগেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও দেশটির অফিসিয়াল সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে। শনিবার এ আগুন লাগে। কারখানায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর চাহারবাগ ও আশপাশের শহর থেকে ফায়ার ফাইটার বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। চাহারবাগের সিটি কর্তৃপক্ষ আইআরএনএকে বলেছেন, দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। এখন পর্যন্ত আগুনের কারণ এবং হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তীব্র প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে আবারও ব্যর্থ হয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি। তাই শেষবারের মতো আরও ৬ মাস সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজিব ও বিচারপতি সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটকারী আইনজীবী শিশির মনির ও মঞ্জিল মোরশেদ তদন্ত কর্মকর্তাকে তলবের আবেদন জানায়। পরে হাইকোর্ট জানায় সাগর রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি হওয়া প্রতিবেদন হাইকোর্টের কাছে পাঠিয়েছেন টাস্কফোর্স কমিটি। পরে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে আরও ৬ মাস সময় চান অ্যাটর্নি জেনারেল। পরে রিটকারী আইনজীবীরা ৩ মাস সময় দিতে বলেন। পরে ৬ মাসের সময় দেন হাইকোর্ট। সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমা আরও ৬ মাস পেছাল কাতারে আটকে থাকা নাগরিকদের দেশে ফিরতে বলল আফগানিস্তান এদিন আলোচিত এ মামলায় ১৩ বছরেও চার্জশিট দিতে না পারায় তা বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ এবং তদন্তের জন্য ছয় মাস সময় দিয়েছিলেন। পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স এই মামলাটি তদন্ত করছে। সর্বশেষ গত বছরের ২৩ অক্টোবর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটিকে ৬ মাসের সময় দিয়েছিলেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক সাগর ও রুনি খুন হন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক ছাত্রীকে (১৯) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন (৪৯) কুতুবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার রাতে পশ্চিম মির্জা নগর গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২০ এপ্রিল দুই স্কুল শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। গ্রেপ্তার দেলোয়ার উপজেলার পূর্ব মির্জা নগর গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে। অপরদিকে মামলার অন্য আসামিরা হলেন, শংকর চন্দ্র মজুমদার (৪৮), তিনি তিন তক্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এ ছাড়া আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার প্রাইভেট পড়ার সুবাদে শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় হয়। তখন ছাত্রীর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ দেলোয়ার হোসেন ছাত্রীকে একটি প্রাইভেট রুমে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে দিয়ে জোরপূর্বক কিছু আপত্তিকর স্বীকারোক্তি কাগজে লিখিয়ে নেন ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে ওই ভিডিও ও কাগজের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক স্থানে ধর্ষণ করা হয়। মামলার অপর আসামি শংকর চন্দ্র মজুমদার এই কাজে সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ভুক্তভোগী ছাত্রীর অন্যত্র বিয়ে হয়। কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত হননি অভিযুক্ত দেলোয়ার। তিনি ছাত্রীর স্বামীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। এর ফলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর আসামিরা পুনরায় তাকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দিতে থাকে এবং টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। সর্বশেষ গত ১৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী ছাত্রী নোয়াখালী মহিলা কলেজে অনার্স পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় আসামিরা তার পথরোধ করে পুনরায় কুপ্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী ছাত্রী প্রথমে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে তিনি আদালত অভিযোগ দায়ের করলে আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ২৭শ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের কালামচর মুক্তারিয়া এলাকার ঘাটে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (৪৫) একই ইউনিয়নের আজিমনগর গ্রামের মজল করিমের ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের কালামচর সুইচ ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট ও হাতিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে ‘মা-বাবার দোয়া বরফ কল’ সংলগ্ন এলাকা থেকে ১৫টি ব্যারেলে সংরক্ষিত ২৭শ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি কবির হোসেন আরও বলেন, জব্দ ডিজেল জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়। এ ঘটনায় হাতিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলমান এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন পাঠদান অব্যাহত রাখতে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় শিক্ষকদের জন্য এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশনে প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জন্য আলাদা লাইনে অকটেন সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। জ্বালানি সংকটের কারণে গত কয়েকদিন ধরে এলাকার পাম্পগুলোতে সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। বিষয়টি নজরে আসার পর শিক্ষকদের বিড়ম্বনা কমাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শিক্ষকরা যেন তেলের লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট না করেন, সেজন্য তারা নিজেদের পরিচয়পত্র দেখিয়ে আলাদা বিশেষ লাইনে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছেন। এই উদ্যোগ সম্পর্কে চাটখিল উপজেলার কলেজ শিক্ষক মহি উদ্দীন বাবু সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের এই সময়ে তেলের পাম্পে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সবার জন্যই বড় একটা ভোগান্তি। যা কর্মজীবীদের জন্য সাধারণের চেয়ে বেশি। দীর্ঘ লাইনের কারণে অনেক সময় কলেজের নির্ধারিত ক্লাসে সময়মতো পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। ইউএনও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন। আমাদের সময়ের গুরুত্ব বুঝে এই বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন, তার জন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, ‘একদিকে এসএসসি, দাখিল ও সমমনান পরীক্ষা চলমান, অপরদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুরোদমে ক্লাস চলছে। এসময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা যাতে তেল নিতে এসে দীর্ঘক্ষণ রোদে বা লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট না পান, সময় নষ্ট না হয়, সেজন্যই মূলত এই ব্যবস্থা। তারা যেন কোনো বিড়ম্বনা ছাড়াই তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই বিশেষ ব্যবস্থা।’ অন্যান্য পেশাজীবীদেরকেও পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে চাটখিলের তারাজ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ গ্রাহকদের লেনের পাশেই শিক্ষকদের জন্য রাখা বিশেষ লেনে সুশৃঙ্খলভাবে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেখানে উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহ তদারকি করছেন। এই সুবিধার ফলে উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষকরা অত্যন্ত খুশি। স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষকদের সম্মান দেওয়ার এই সংস্কৃতি সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নোয়াখালীর সেনবাগে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সিমেন্টবাহী কভার্ড ভ্যানে পেছন থেকে ট্রাকের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার এসআই মিল্টন মণ্ডল। নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির অলংকারকাঠি গ্রামের আল আমিন (৫৫) ও ট্রাকচালক মো. ফয়সাল (৩৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন নার্সারিতে গাছের চারা সরবরাহ করতেন। শুক্রবার ভোরে তিনি ট্রাকে করে মাইজদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাহ সিমেন্টের একটি কভার্ড ভ্যানকে পেছন থেকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আল আমিন ও চালক ফয়সালের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় ট্রাকের সামনের আসনে থাকা আরেক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মমিনপুর এলাকায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় একটি খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে মমিনপুর এলাকায় এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। চলতি অর্থ বছরের এই প্রকল্পের আওতায় সাহাপুর ইউনিয়নের পুরুষোত্তমপুর ও মমিনপুর হয়ে ডুমুরিয়া পর্যন্ত মোট ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনর্খনন করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে থাকা এই খালটি পুনর্খননের ফলে মমিনপুরসহ আশপাশের গ্রামগুলোর জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। সাহাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান, চাটখিল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আলী হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী শাহীনুর রহমান, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ফারুক হোসেন প্রমুখ। চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, ‘২৪-এর ভয়াবহ বন্যার কথা বিবেচনা করে আমরা খাল দখলমুক্ত করতে কাজ করেছি। পানির প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। খালের ওপর অবৈধভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার খোকন বলেন, ‘অবৈধ দখল মুক্ত করে পর্যায়ক্রমে সব খালই খনন করা হবে। পানির প্রবাহ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না। অনেক জায়গায় খাল ভরাট হয়ে জমিন হয়ে গেছে। আমাদের এলাকা ভাটি অঞ্চল হওয়ায় ভারত, নেপাল, উত্তরাঞ্চল থেকে আসা পানি নামার জন্য ছোট-বড় খালের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পানি নামতে না পারলে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হয়। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি কাজ এবং মাছ উৎপাদনে খালের গুরুত্ব বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই খাল খনন ও পুনর্খননের কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। কোনো অবৈধ শক্তি এই মহতী কর্মসূচি বন্ধ করতে পারবে না।’ খাল খনন উদ্বোধন শেষে মমিনপুর দাখিল মাদ্রাসা মাঠে একটি উদ্বোধনী সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় মমিনপুর এলাকা ও উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের নামফলকের দেয়ালে ‘গুপ্ত’ লিখে ক্রস চিহ্ন দিয়েছে ছাত্রদল। আজ বিকেলে তোলা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের নামফলকের দেয়ালে ‘গুপ্ত’ লিখে ক্রস চিহ্ন দিয়েছে ছাত্রদল। আজ বিকেলে তোলাপ্রথম আলো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্যের দপ্তরের প্রবেশপথে নামফলকের পাশে ‘গুপ্ত’ লিখে তার ওপর ‘ক্রস’ চিহ্ন দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। আজ বুধবার বেলা আনুমানিক দুইটার দিকে ওই দেয়াললিখন কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে ক্যাম্পাসে চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কলেজে সংঘর্ষের প্রতিবাদে আজ দুপুরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় উপাচার্যের দপ্তরের সামনে আসেন। তাঁরা ওই সময় দপ্তরের প্রবেশপথে বাঁ পাশে উপাচার্যের নামফলকের পাশে ও নিচে দুই জায়গায় ‘গুপ্ত’ লিখে তাতে ‘ক্রস’ চিহ্ন এঁকে দিয়ে চলে যান। একইভাবে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপাচার্যের বাংলোর প্রধান ফটকের পাশের দেয়ালেও ‘গুপ্ত’ লেখেন। সরেজমিনে আজ বিকেলে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালেও ‘গুপ্ত’ লেখা দেখা গেছে। উপাচার্যের বাংলোর ফটকেও এমন শব্দ লেখা ছিল। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এরপর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ‘গুপ্ত’ রাজনীতির বিরুদ্ধে দেয়াললিখন কর্মসূচি পালন করেন। এটি কোনো ব্যক্তিবিশেষকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কক্ষ থেকে বের হননি। কে কোথায় কী লিখেছে তা তিনি দেখেননি। পরে একই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, তিনি নিজ দপ্তরে আছেন, লেখা দেখেননি। এসব লিখলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা লিখতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে এমনিতেই রাজনীতি নিষিদ্ধ। এরপরও শিক্ষার্থীরা যদি দেয়াললিখনের মধ্য দিয়ে নিজেদের মনের কথা কিংবা দাবি প্রকাশ করতে চান, পুরো ক্যাম্পাসে দেয়ালের তো অভাব নেই, উপাচার্যের নামফলকের পাশে লিখতে হবে কেন? কাউকে খাটো করে কেউ কখনো বড় হতে পারেন না। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে দেয়ালে গুপ্ত লেখা হয়নি। আমরা পুরো ক্যাম্পাসেই “গুপ্ত রাজনীতির দিন শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ,” “গুপ্ত রাজনীতির ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না”সহ বিভিন্ন স্লোগান লিখেছি। এ ক্ষেত্রে যেসব জায়গায় লিখলে সবার নজরে পড়বে, সেসব জায়গায় লেখা হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নিয়ে আগামী শুক্রবারের মাঝে ‘সুসংবাদ’ আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পাকিস্তানের একাধিক সূত্র এই তথ্য জানিয়েছেন। ইসলামাবাদের কয়েকটি সূত্র তেহরানের সঙ্গে তাদের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় ইতিবাচক অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, আগামী ‘৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার’ মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাব্য অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে এক ক্ষুদে নিউইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প বলেন, ‘‘এটি সম্ভব! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’’ ইরানের নেতারা ‘একীভূত প্রস্তাব’ না নিয়ে আসা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর এই ইতিবাচক খবর এলো। এর আগে, মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার এবং অন্য সব ক্ষেত্রে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। তাই তাদের প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে দিচ্ছি।’’ ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর থেকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানি এক সূত্র বলেছেন, কূটনৈতিক তৎপরতার মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আলোচনার এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই সূত্র বলেন, ‘‘উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি বজায় রয়েছে; যা উভয় পক্ষের ইতিবাচক সদিচ্ছারই ইঙ্গিত দেয়। কোনও পক্ষ থেকেই সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হয়নি। এক্ষেত্রে পাকিস্তানই প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।’’ সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এসিসিই) বিভাগের ১৩তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ রয়েছেন। গত পাঁচ দিন ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে University of South Florida-এ স্নাতকোত্তর (এমএসসি) পর্যায়ে অধ্যয়নরত। সহপাঠী ও বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ দিন আগে এক সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হন বৃষ্টি। এরপর থেকে তার ও সঙ্গে থাকা ওই সহপাঠীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে। এসিসিই বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, নিখোঁজের বিষয়টি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ও স্টেট পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করছে। ফোন ট্র্যাকিংয়ে সর্বশেষ অবস্থান ক্যাম্পাসের ভেতরে শনাক্ত হলেও এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মায়ামিতে অবস্থিত বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলকে জানানো হয়েছে। কনস্যুলেট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে Federal Bureau of Investigation (এফবিআই)-কে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিকটবর্তী হাসপাতাল, বিমানবন্দর ও ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পায়নি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সর্বশেষ বৃষ্টির সঙ্গে তাদের কথা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। সহপাঠীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর পরিবার পুলিশকে অবহিত করে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবার আরও জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে। এদিকে সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরা বৃষ্টির নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আকাশ স্মৃতি নামের এক সহপাঠী বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তারা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। বিষয়টি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বন্ধুর নিরাপদ ফিরে আসার আশায় সবাই অপেক্ষা করছেন। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য না পাওয়ায় সহপাঠীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। পরিবার ও সহপাঠীদের মধ্যে চরম হতাশা কাজ করছে। নোবিপ্রবির অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এসিসিই) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফাতেহা নুর রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং দ্রুত তাকে খুঁজে বের করতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।