

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ রায়টি লিখেছেন। এর আগে গত ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এই রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান আবার ফিরলো। এ–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত হলেও এখনই তা কার্যকর হচ্ছে না। জাতীয় সংসদের চতুর্দশ নির্বাচন থেকে তা প্রয়োগ হতে পারে। প্রায় তিন দশক আগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছিল। এ–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত করে রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আইনজীবীরা বলছেন, এ রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনর্বহাল হলো। যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে। ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনকে সংবিধান পরিপন্থী ও বাতিল ঘোষণা করে ১৪ বছর আগে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর এবং এ-সংক্রান্ত রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০ নভেম্বর। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে এ রায় দেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি ও অপর ছয় বিচারপতি এজলাসে আসেন। আসন গ্রহণের পর রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি। বেঞ্চের অপর ছয় সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (বর্তমান প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। রায়ে বলা হয়, সর্বসম্মতিতে আপিলগুলো মঞ্জুর করা হলো, সে আলোকে রিভিউ আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করা হলো। নথিদৃষ্টে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে আপিল বিভাগের রায়টি (২০১১ সালের রায়) একাধিক ক্রটিপূর্ণ। অতএব পর্যালোচনাধীন রায়টি (২০১১ সালের রায়) সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হলো। ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধন আইনের ধারা ৩ দিয়ে সন্নিবেশিত হওয়া সংবিধানের চতুর্থ ভাগের পরিচ্ছেদ ‘২ক পরিচ্ছেদ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ সম্পর্কিত বিধানাবলি এ রায়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় করা হলো বলে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেন। রায়ে আরও বলা হয়, এরূপ পুনরুজ্জীবন ‘পরিচ্ছেদ ২ক’–এ উল্লেখিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত বিধানাবলির স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল নিশ্চিত করে। তবে পুনরুজ্জীবিত অনুচ্ছেদ ৫৮খ(১) এবং অনুচ্ছেদ ৫৮গ(২)–এর বিধানের প্রয়োগ সাপেক্ষে তা কার্যকর হবে। পুনর্বহাল ও পুনরুজ্জীবিত ‘পরিচ্ছেদ ২ক’–এ উল্লেখিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত বিধানাবলি কেবল ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে কার্যকর হবে।

প্রথম এবং দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে বেশ ভালো একটি মিল রয়েছে। দু’দলই একবার করে অলআউট হয়েছিল ১১৪ রানে। প্রতিবারই পরাজিতের কাতারে থেকেছে ১১৪ রান করা দলটি। একটি পাকিস্তান এবং অন্য দলটি বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচটি আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেটি অঘোষিত ফাইনাল। জিতলেই সিরিজ নিজেদের করে নেবে বিজয়ী দল। সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে টস করতে নেমেছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের দুই অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। টস জিতলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি।

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং সংসদে বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান বলেছেন, রোগীর চিকিৎসা দেবে ডাক্তার। মানুষের হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে। তবে কোথাও কোনো হাসপাতালে রোগী মারা গেলে মব সৃষ্টি করা যাবে না। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নোয়াখালীতে প্রাইভেট হাসপাতাল এবং ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। মো. শাহজাহান বলেন বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের মানোন্নয়ন এবং রোগীদের সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে নবগঠিত এ কমিটিকে দায়িত্ব নিতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. সহিদুল ইসলাম সাঈদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুন রশিদ আজাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান। এসময় জেলা বিএনপি সদস্য ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম কিরণ, ড্যাবের সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি ডা. সোহরাব ফারুকী, প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সদস্য সচিব মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মিরপুরের উইকেট কেমন হবে—বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ শুরুর আগেই এটা নিয়ে চলতে থাকে আলাপ-আলোচনা। ব্যাটারদের বধ্যভূমি নামে পরিচিত এই উইকেটে রীতিমতো বোলারদের রাজত্ব দেখা যায়। আজ সিরিজের প্রথম ওয়ানডের প্রথম ইনিংসে দেখা গেল তেমন কিছুই। তবে এখানে উইকেটের যতটা না দায়, তার চেয়ে বেশি কৃতিত্ব বাংলাদেশের বোলারদের। আর বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে লজ্জার রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়েই বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথমে ব্যাটিং পেয়ে পাকিস্তান শুরুটা ধীরস্থিরভাবে করলেও পরে হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ৭৩ রানেই শেষ ১০ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ওয়ানডেতে এটাই বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড। এর আগে নর্দাম্পটনে ১৯৯৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ১৬১ রানে অলআউট করেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ পেয়েছিল ৬১ রানের জয়।

সৌদি আরবে রমজানের ২৯তম দিন আজ। রমজান মাসের ২৯তম রজনীতে খতম তারাবি অনুষ্ঠিত হয়েছে মক্কার মসজিদুল হারামে। এই উপলক্ষে পবিত্র এই মসজিদে নেমেছিল মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারীদের ঢল। ইশা ও তারাবির নামাজ শেষে কোরআন খতমের বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিতে এক আবেগঘন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে সমবেত হন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। দিনের শুরু থেকেই মসজিদুল হারামের চত্বর, করিডোর, মাতাফ এলাকা এবং আশপাশের রাস্তাগুলোতে মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে থাকে। সৌদি আরবের শীর্ষ নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও ব্যাপক সেবামূলক ব্যবস্থার কল্যাণে বিশাল এই জনসমাগমের মধ্যেও ওমরাহ ও নামাজ আদায়ের প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদ। দুই পবিত্র মসজিদের পরিচালনা পর্ষদ (জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য অ্যাফেয়ার্স অফ দ্য গ্র্যান্ড মস্ক অ্যান্ড দ্য প্রফেট'স মস্ক) অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের পূর্ণ জনবল ও সক্ষমতা নিয়ে মাঠে ছিল। ভিড় সামলানো, মুসল্লিদের দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং নামাজের স্থানগুলোতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে কাজ করেছে বিশেষ টিম। বিশেষত বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য নেওয়া হয়েছিল বাড়তি সতর্কতা। ৩৬ বছর ধরে মসজিদুল হারামে খতম তারাবির দোয়া পরিচালনা করেন শায়খ সুদাইস রমজানে ২০ দিনে মক্কা-মদিনায় ৯ কোটি ৬৬ লাখের বেশি মুসল্লি মসজিদুল হারাম ও নববীতে ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন হাজারো মুসল্লি মসজিদ চত্বরে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জীবাণুমুক্তকরণ এবং সুগন্ধি ছিটানোর কাজ চালানো হয়েছে কয়েক গুণ বেশি। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা জমজম পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্ধারিত স্থানগুলোতে পানির ড্রাম ও বোতলের ব্যবস্থা ছিল পর্যাপ্ত। মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো সুনির্দিষ্ট গেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ এবং তানকল অ্যাপের মাধ্যমে ইলেকট্রিক ও ম্যানুয়াল কার্ট বা হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা ছিল। ডিজিটাল স্ক্রিনে বিভিন্ন ভাষায় নির্দেশনার পাশাপাশি ফিল্ড রেসপন্স টিমগুলো যেকোনো প্রয়োজনে পর্যটকদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেছে। মসজিদের শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, এসির শীতলীকরণ, ভেন্টিলেশন এবং আলোর ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ সচল রাখা হয়েছিল। এছাড়া এসকেলেটর, লিফট ও জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থার সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র : সৌদি গেজেট

ভারতের পর এবার পাকিস্তানকে হ্রাসকৃত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। পাকিস্তানে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত অ্যালবার্ট খোরেভ গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদকে হ্রাসকৃত মূল্যে জ্বালানি তেল দিতে রাজি আছে মস্কো। ইসলামাবাদে আয়োজিত সেই সংবাদ সম্মেলনে খোরেভ বলেন, ইসলামাবাদ যদি আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে পাকিস্তানের কাছে হ্রাসকৃত মূল্যে তেল বিক্রি করবে রাশিয়া। রুশ রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো জ্বালানি খাত এবং এই খাতের যেকোনো অগ্রগতি ইসলামাবাদের উদ্যোগ গ্রহণের ওপর নির্ভর করবে। রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন যে, জ্বালানি খাতই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এবং এই খাতে যেকোনো অগ্রগতি ইসলামাবাদের উদ্যোগ গ্রহণের ওপর নির্ভর করবে। বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গত, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তার জেরে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট হরমুজ প্রণালিতে ইরান অবরোধ আরোপ করায় অন্য অনেক দেশের মতো পাকিস্তানও ভোগান্তিতে পড়েছে। কারণ, দেশটি জ্বালানি তেলের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকার কারণে জ্বালানির নতুন চালান আসতে পারছে না। এ কারণে ইতোমধ্যে সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম ২০ শতাংশ বাড়াতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তানের সরকার। সংবাদ সম্মেলনে খোরেভ বলেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘জটিল ও অপ্রত্যাশিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমান উত্তেজনা কখন ও কীভাবে শেষ হবে— তা বলা কঠিন।” সূত্র : জিও নিউজ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। তবে ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন ইউএনও। তিনি বলেছেন, শত্রুতাবশত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে ইউএনও মো. আলাউদ্দিন তার কার্যালয়ে এলেও অল্প সময়ের মধ্যেই দ্রুত জেলা সদরের উদ্দেশে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। যাওয়ার আগে তিনি সহকর্মীদের এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ভিডিওর বিষয়টি শুনলেও ভিডিওতে থাকা নারীর পরিচয় সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে যে, তিনি ‘হানি ট্র্যাপের’ শিকার হয়ে থাকতে পারেন। এ বিষয়ে জানতে ইউএনও মো. আলাউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, পূর্বের কর্মস্থলের কিছু বিরোধের জেরে কেউ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই মিথ্যা ভিডিওটি তৈরি করেছেন। এটি আমার বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এবিষয়ে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে অবগত হয়েছেন এবং ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভিডিওটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। ইউএনও আজ সকালে দপ্তরে ছুটির আবেদন জমা দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ রায়টি লিখেছেন। এর আগে গত ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এই রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান আবার ফিরলো। এ–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত হলেও এখনই তা কার্যকর হচ্ছে না। জাতীয় সংসদের চতুর্দশ নির্বাচন থেকে তা প্রয়োগ হতে পারে। প্রায় তিন দশক আগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছিল। এ–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত করে রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আইনজীবীরা বলছেন, এ রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনর্বহাল হলো। যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে। ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনকে সংবিধান পরিপন্থী ও বাতিল ঘোষণা করে ১৪ বছর আগে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর এবং এ-সংক্রান্ত রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০ নভেম্বর। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে এ রায় দেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি ও অপর ছয় বিচারপতি এজলাসে আসেন। আসন গ্রহণের পর রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি। বেঞ্চের অপর ছয় সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (বর্তমান প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। রায়ে বলা হয়, সর্বসম্মতিতে আপিলগুলো মঞ্জুর করা হলো, সে আলোকে রিভিউ আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করা হলো। নথিদৃষ্টে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে আপিল বিভাগের রায়টি (২০১১ সালের রায়) একাধিক ক্রটিপূর্ণ। অতএব পর্যালোচনাধীন রায়টি (২০১১ সালের রায়) সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হলো। ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধন আইনের ধারা ৩ দিয়ে সন্নিবেশিত হওয়া সংবিধানের চতুর্থ ভাগের পরিচ্ছেদ ‘২ক পরিচ্ছেদ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ সম্পর্কিত বিধানাবলি এ রায়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় করা হলো বলে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেন। রায়ে আরও বলা হয়, এরূপ পুনরুজ্জীবন ‘পরিচ্ছেদ ২ক’–এ উল্লেখিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত বিধানাবলির স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল নিশ্চিত করে। তবে পুনরুজ্জীবিত অনুচ্ছেদ ৫৮খ(১) এবং অনুচ্ছেদ ৫৮গ(২)–এর বিধানের প্রয়োগ সাপেক্ষে তা কার্যকর হবে। পুনর্বহাল ও পুনরুজ্জীবিত ‘পরিচ্ছেদ ২ক’–এ উল্লেখিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত বিধানাবলি কেবল ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে কার্যকর হবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের কমপক্ষে ১২টি দেশ থেকে নিরাপদে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের অতি দ্রুত ইরাক ছাড়তে বলা হয়েছে। খবর বিবিসির। পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা অব্যাহত আছে এবং ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরে এখনো আগুন জ্বলছে। এদিকে আজ ভোরে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আকাশেই প্রতিরোধ বা ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। জরুরি সেবা সংস্থাগুলো বলছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন নাগরিকদের বিভিন্ন দেশ ছাড়ার নির্দেশ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের দেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। শনিবার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর ইরাকে থাকা তাদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দূতাবাসের সতর্ক বার্তায় নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, এখনই ইরাক ছেড়ে যাওয়া উচিত। তারা আরও লিখেছে, যারা ইরাকে থাকতেই চাইছেন, তাদের অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে, কারণ ইরানের সঙ্গে যুক্ত থাকা মিলিশিয়া গোষ্ঠীর কারণে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইরান যখন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের আরও কমপক্ষে ১২টি দেশের বাইরে চলে যেতে বলেছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, ওমান থেকে জরুরি নয়, এমন সব সরকারি কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরও দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রথম এবং দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে বেশ ভালো একটি মিল রয়েছে। দু’দলই একবার করে অলআউট হয়েছিল ১১৪ রানে। প্রতিবারই পরাজিতের কাতারে থেকেছে ১১৪ রান করা দলটি। একটি পাকিস্তান এবং অন্য দলটি বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচটি আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেটি অঘোষিত ফাইনাল। জিতলেই সিরিজ নিজেদের করে নেবে বিজয়ী দল। সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে টস করতে নেমেছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের দুই অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। টস জিতলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি।

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং সংসদে বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান বলেছেন, রোগীর চিকিৎসা দেবে ডাক্তার। মানুষের হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে। তবে কোথাও কোনো হাসপাতালে রোগী মারা গেলে মব সৃষ্টি করা যাবে না। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নোয়াখালীতে প্রাইভেট হাসপাতাল এবং ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। মো. শাহজাহান বলেন বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের মানোন্নয়ন এবং রোগীদের সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে নবগঠিত এ কমিটিকে দায়িত্ব নিতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. সহিদুল ইসলাম সাঈদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুন রশিদ আজাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান। এসময় জেলা বিএনপি সদস্য ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম কিরণ, ড্যাবের সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি ডা. সোহরাব ফারুকী, প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সদস্য সচিব মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের মাঠে মাঠে তরমুজ। ভালো দামের আশায় মৌসুমের শুরুতেই বাজারে তোলা হচ্ছে এবং অর্থকারী এ ফসল চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয় কৃষি কৃষক। আর স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিমধ্যে এর প্রভাবও পড়ছে। কৃষি বিভাগ বলছেন সুবর্ণচরের তরমুজের বাজার প্রায় ৫০০ কোটি টাকার। শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত নোয়াখালীর সুবর্ণচরে অর্থকরী ফসল তরমুজ চাষে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা। অনাবাদী চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমিজুড়ে এখন সবুজ লতায় ঝুলছে রসালো তরমুজ। রমজান মাসে চলছে তরমুজ তোলার কার্যক্রম। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যায় চলতি মৌসুমে বেড়েছে আবাদ ও উৎপাদনের আশা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর প্রায় ৫০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সুবর্ণচর উপজেলার মূল ভূখণ্ডে প্রায় ৯০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। পাশাপাশি চর গাসিয়া, ইসলাম চর, স্বর্ণদ্বীপসহ নতুন জেগে ওঠা বিভিন্ন চরাঞ্চলেও ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ করা হয়েছে। মাঠজুড়ে দেখা যাচ্ছে ড্রাগন কিং, জেব্রা কিং, গ্লোরি ড্রাগন, ব্ল্যাক জায়ান্ট, বাংলালিংক, ব্ল্যাক বেরি, ভিক্টর সুগার ও ওশান সুগারসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল দেশি-বিদেশি জাতের তরমুজ। স্থানীয় কৃষকদের মতে, সুবর্ণচর ও আশপাশের চরাঞ্চলের বেলে-দোঁআশ মাটি তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই আবাদ বাড়ছে। কম সময়ে ভালো লাভ হওয়ায় অনেক কৃষক ধান বা অন্যান্য ফসলের পরিবর্তে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন। সুবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সুবর্ণচর ও পার্শ্ববর্তী নতুন জেগে ওঠা চরে চলতি মৌসুমে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে মূল ভূখণ্ডে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত শুরু হয়েছে। তরমুজ বিক্রির মাধ্যমে এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল হচ্ছে। কৃষকদের সহায়তায় কৃষি বিভাগ প্রদর্শনী বাস্তবায়ন ও বিভিন্ন উপকরণ সহায়তা প্রদান করছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী তিনজনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের একটি তরমুজ খেতের পাহারার টং ঘরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন সন্তানের জননী ওই নারীর এর আগে একাধিক বিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি একা ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পরিচিত এক ব্যক্তির কাছে নিজের জন্য পুনরায় পাত্র দেখার অনুরোধ করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তি বিয়ের কথা বলে মোবাইল ফোনে তাকে ডেকে নেন। পরে তাকে একটি নির্জন তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরও দুজনসহ মোট তিনজন মিলে তাকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন। হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি দুজনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কথা বলতে গেলেই জড়িয়ে যায় শব্দ, থেমে থেমে বের হয় বাক্য। তোতলামির কারণে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা কঠিন তাকমিল উদ্দিন মিকাইলের জন্য। কিন্তু পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শুরু করলেই যেন বদলে যায় সবকিছু। তখন আর থাকে না কোনো জড়তা- অনর্গল, স্পষ্ট ও সুরেলা কণ্ঠে তেলাওয়াত করে মুগ্ধ করেন সবাইকে। এমনই ব্যতিক্রমী প্রতিভার অধিকারী নোয়াখালীর শিশু হাফেজ তাকমিল উদ্দিন মিকাইল। তাকমিল নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব মোহাম্মদপুর ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তসলিম উদ্দিনের একমাত্র ছেলে। তার বাবা চট্টগ্রামে চাকরি করেন। তাকমিল স্থানীয় তামীরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদরাসা থেকে মাত্র সাত মাসে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি একই এলাকায় তারাবি নামাজে ইমামতি করছেন। জড়িয়ে যাওয়া কণ্ঠে তাকমিল উদ্দিন মিকাইল বলেন, ছোটবেলা থেকেই কথা বলতে গেলে আমার কণ্ঠ আটকে যায়। অনেক সময় ঠিকভাবে কথা বলতে কষ্ট হয়। তবে যখন কোরআন তিলাওয়াত করি, তখন আল্লাহর রহমতে সবকিছু সহজ হয়ে যায়। তখন আর কোনো জড়তা অনুভব করি না। আমি চাই নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করে মানুষের মাঝে এর সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিতে। আমি বড় আলেম হতে চাই। তাকমিলের সহপাঠী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, তাকমিল আমাদের খুব প্রিয় বন্ধু। সাধারণ কথাবার্তায় তার একটু জড়তা আছে, কিন্তু তিলাওয়াত শুরু করলে আমরা সবাই অবাক হয়ে শুনি। তার কণ্ঠে কোরআন খুব সুন্দর শোনায়। আমরা তার জন্য গর্বিত। তাকমিলের হিফজ শিক্ষক এমদাদ উল্লাহ মহাজির বলেন, তাকমিল অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী ও পরিশ্রমী একজন ছাত্র। অল্প সময়ের মধ্যেই সে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার তিলাওয়াতে মাধুর্য আছে এবং সে খুব মনোযোগ দিয়ে অনুশীলন করে। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে সে আরও বড় আলেম ও ক্বারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। তামীরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মো. নাছরুল্লাহ বলেন, তাকমিলের মধ্যে আল্লাহ তাআলা বিশেষ এক প্রতিভা দিয়েছেন। কথা বলার সময় তার জড়তা থাকলেও কোরআন তিলাওয়াতের সময় সে অত্যন্ত সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। তার এই অদম্য চেষ্টা ও আগ্রহ অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আকিব ওসমান বলেন, জড়তা থাকা সত্ত্বেও তাকমিল উদ্দিন মিকাইলের অনর্গল কোরআন পড়তে পারা একটা অলৌকিকতা। এছাড়া সে সাত মাসে হাফেজ হয়েছে। এই অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয়। তার মতো প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা আমাদের সমাজের গর্ব। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

সুবর্ণচর প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলাতে চলছে সরকারি খাসজমি দখলের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের নিরব সমর্থন এবং নামমাত্র “ম্যানেজমেন্ট”-এর আশীর্বাদে খাসজমি দখল করে স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করছেন। সবকিছু হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের চোখের সামনেই। সরেজমিনে দেখা যায়, খোদ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন আঞ্চলিক হাইওয়ে সড়কটির পাশে ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার খাস খতিয়ানের আন্দরে ২১৪৬ দাগে সড়কের অংশে ০.৭২ একর ভূমিতে ভূঞারহাট এলাকায় সরকারি খাস জমি দখলের মহোৎসব চলছে। উক্ত দাগে যেটুকু বাকি আছে সেটাও দখল হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে জনবসতি সংলগ্ন খাসজমি গুলোতে এখন একের পর এক দখল অভিযানে মেতে উঠেছে ভূমিদস্যুরা। উল্লেখ্য পূর্বে উক্ত ভূমিতে অবৈধ খাস জমি দখলের কারণে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিট্রেট দেবাশীষ দাস কর্তৃক খাস জমি হইতে অবৈধ স্থাপনায় গড়ে উঠা ২০টি দোকানঘর গুড়িয়ে দেন। পূর্বের উচ্ছেদ অভিযানের একটি কপি এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে, প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট কেউ আবার মিথ্যা তথ্যে দিয়ে নিজেদের ভূমিহীন দাবি করে, কেউ আবার নিজেদের নিকট আত্নীয়স্বজন, রাজনৈতিক দলের কর্মী- সমর্থকদের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভূমিহীন সনদ নেন। এরপর নামে-বেনামে একসনা বনধোবন্ত নথি সৃজন করে খাসজমি দখল করে স্থায়ী ঘর তুলে মাসে লাখ লাখ টাকা ভাড়া আদায় করছেন। এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মূলত নামধারী ভূমিহীন ও জমি-ব্যবসায়ী। সমাজে এদের মূল্যায়ন তোলা তোলা। যদিও ভূমি নীতিমালা অনুযারী প্রকৃত ব্যবসায়ী ছাড়া কোথাও কোন (চান্দিনা) দোকান ভিটি বনধোবন্ত দেওয়ার বিধান নেই। এছাড়াও দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে, কোন স্থায়ী সম্পদ নেই এমন শ্রেণীর ব্যক্তিরা খাস জমি ভূমিহীন হিসেবে বনধোবস্ত দেওয়ার বিধান রয়েছে ভূমি আইনে। অথচ প্রকৃত ভূমিহীনরা পাচ্ছে না ভূমি বনধোবস্ত। প্রশাসনের এক শ্রেণীর লোভী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রভাবশালীদের কব্জায় সরকারি খাস জমির আজ অস্তিত্ব সংকটে। সরেজমিনে দেখাযায়, ভূমিদস্যুরা এসব ক্যাটাগরির কোনটিতে নেই। পারিবারিক ও স্থানীয় মদদে প্রশাসনের উদাসীনতায় চলছে জমি দখল ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ। আরও জানা গেছে, কিছু কিছু দখলকারী উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে ওই সুযোগেই নির্বিঘ্নে দখল কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, স্বৈরশাসন আমলে দখল করা ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকজন দোকান ভিটি, খাস জমি দখল করে বর্তমান সরকার আমলের অনেকের নিকট লাখ লাখ টাকা বিক্রি করে দেশের বাহিরে অর্থ পাচার করছেন। কেউ কেউ অন্যত্র সম্পদ গড়ে তুলছেন, নানা ব্যবসার অংশীদার হচ্ছেন। প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতায় অত্র উপজেলায় ভূমি খাতটি থেকে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তথ্যসহ সকল কিছু জানলেও নিরব থাকে প্রশাসন! সরকারি ভূমি রক্ষায় আইন কাগজে কলমে বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি ভূমিকা নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোর। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে ইউএনও অবগত থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দখলকারীরা প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায়-‘সব ম্যানেজ করা আছে।’ সরকারি খাসজমি ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার দায়িত্ব প্রশাসনের হলেও বছরের পর বছর ধরে এসব জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে- আর এসব বিষয়ে প্রশাসনের নীরব সমর্থন রয়েছে বলে খবর নিয়ে জানা গেছে। খাসজমি দখল ঠেকাতে সরকারের কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও সুবর্ণচরে যেন তার কোনো প্রয়োগ নেই। দিন দিন বাড়ছে দখলের পরিধি, আর কমছে সরকারি সম্পত্তি। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এভাবে যদি প্রশাসন নিরব থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে সরকারি খাসজমি নামমাত্র কাগজে থাকলেও বাস্তবে পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে কিছু প্রভাবশালীর হাতে। অপরদিকে এমনও অনেক ভিপি সম্পত্তি লিজ দেওয়া আছে যেগুলোর প্রকৃত লিজাররা জমি বুঝে পায়নি কিন্তু প্রতি বছর খাজনা পরিশোধ করেন। অথচ সেই জায়গা দখল করে বাড়ি-ঘর করে আছে অন্য কেউ সেদিকেও নজর নেই প্রশাসনের। প্রকৃত লিজাররা ইউএনও এসিল্যান্ড এর কাছে বহুবার অভিযোগ করেও কোন সমাধান পাননি। বরং তারা অন্য আইনের গল্প শুনিয়ে ছেড়ে দেয় ভিকটিমদের। দেখলে মনে হয় এখন সব মগের মুল্লুক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাজারের প্রকৃত সচেতন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ, একাধিক পথচারীদের দাবি, খাসজমি দখল বন্ধে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ইতোমধ্যেই যারা সরকারি খাসজমি দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান বলেন, আচ্ছা আমি বিষয়টি জানি না। জেনে বিস্তারিত আইনগত পদক্ষেপ নিবো। রিপোর্টটি লেখার আগ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি প্রশাসনের তরফ হতে। এতে কানাঘুষা করছে সচেতন নাগরিক সমাজের মানুষজন তাহলে মনে হচ্ছে 'সর্ষের মধ্যে কি ভূত?? এ ব্যাপারে সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইন জানান, আসলে অর্পিত বা ভিপি সম্পত্তি বাদে অন্যান্য খাস জায়গাগুলো তেমন ভাবে তদারকি করা হয় না। তবে আমরা চেষ্টা করছি সরকারি সম্পদ রক্ষায়। যখন যেটা প্রয়োজন হয় তখন সে জায়গা আমরা নিয়ে নেই। প্রয়োজন হলে উচ্ছেদ অভিযানও পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদকৃত জমিতে স্থায়ী ইমারত নির্মাণে না কি আপনি অনুমতি দিয়েছেন গুঞ্জন উঠেছে ? তাই কোন পদক্ষেপ না নিয়ে নিরব আছেন। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি? আপনি কি সড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান ভিটি করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন?? রাখলে সেই আইন কোনটি, জানান। বিগত সময়ে আমরা অনেক জায়গা উদ্ধার করে সরকারি ভাবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন যারা খাস জায়গা দখল করে আছে তাদের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো। তারপরও এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে হামলার ৪০তম ধাপ শুরু করেছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এই হামলায় ইসরায়েল এবং অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছে। ইরানের সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ এক বিবৃতিতে জানায়, এ অভিযানে ড্রোন ও বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে কাদের, এমাদ, খেইবার শেকান ও ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ইরানের দাবি, এসব ক্ষেপণাস্ত্র তেলআবিব, জেরুজালেম ও হাইফাসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে নিক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি জর্ডানের আল-আজরাক এবং সৌদি আরবের আল-খারজে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু ছিল। এদিকে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা আটটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং কয়েকটি ড্রোন প্রতিহত করেছে। একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে কুয়েতের সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলা করছে।