

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সেনবাগ বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান ও বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনবাগ বাজারে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন বাজারে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকযুক্ত গাড়িতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রচারণার গাড়িতেও হামলা করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের আহত করা হয়েছে। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কেউ কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না এবং কোনো ধরনের সহিংসতায় জড়াবেন না। নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টা চলছে। আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ আছি। এই হামলার জবাব আপনারা ১২ তারিখ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেবেন। এ বিষয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন আছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, নোয়াখালী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এবারের নির্বাচন সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে জবাব দেওয়া হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসমুক্ত সেনবাগ গড়ে তুলতে তিনি সবাইকে ১১ দলীয় জোটের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

একটি বড় দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্গার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এবং দলটির মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা আমির মো. ইসহাক খন্দকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নোয়াখালী জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ইসহাক খন্দকার বলেন, আইডি হ্যাক হয়েছে একটা সত্য কথা। যা সংবাদ সম্মেলন থেকেও বলা হয়েছে। তারপরও একটি বড় দলের প্রধান নেতা হ্যাকের বিষয়টি নিয়ে আর ট্রল করতে পারেন না। ওই দলে আরও ছোট নেতা আছে যাদেরকে দিয়ে তিনি বলাতে পারতেন। তিনি বলেন, ওই প্রধান নেতা যে ভাষায় কথা বলেছেন, তা তিনি জামায়াত আমিরকে বলতে পারেন না। এ ঘটনা নিয়ে গ্রেফতারও হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। আসলে ওই দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে নিজের লোক দিয়ে হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্গার করছেন। ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, জামায়াত আমির নারীদের প্রতি অত্যন্ত বিনয়ী। তিনি এ ধরনের কথা বলতে পারেন না, তা বুঝাই যায়। এখন কারা ধরা পড়ছে তা সবাই দেখছে। আমাদের লোকও তদন্ত করছে। সব বের হবে। তখন সবাই পরিষ্কার হয়ে যাবেন কারা, কেন এ কাজ করেছে। ১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, আমাদের নোয়াখালীতে ছয়টি আসনের সবগুলোতেই আমাদের নারী কর্মীদেরকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। অনেক জায়গায় আমাদের মা-বোনদের অপমান করেছে। আমরা এ ব্যাপারে থানায় জিডি করেছি। আমরা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত। ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে তারা ভুয়া কার্ড বিলাচ্ছে। তারা কী কোনো সংস্থা নাকি সরকারে এসে গেছেন। প্রতারণার এ কার্ড দিতে আবার চাঁদাও নিচ্ছে। নারীদের মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছেন। আমরা এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই। সভায় নোয়াখালী-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতের মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমদ চেয়ারম্যান, প্রচার বিভাগের প্রধান ডা. বোরহান উদ্দিন, নোয়াখালী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা ইউসূফ, জামায়াত নেতা সাংবাদিক আবু তাহের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সব বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মেসবাহ উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুলকোর্ট সভায় অধস্তন আদালতের ছুটির ক্যালেন্ডার অনুমোদনসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফুলকোর্ট সভা বিচারপতিদের কথা বলার নিজস্ব ফোরাম। এতে নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের একটি নির্বাচনি কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সেতুভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত মাওলানা বোরহান উদ্দিনের নির্বাচনি অফিসে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। মুহূর্তেই আগুনের ছড়িয়ে পড়ে এবং নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত রিকশা, আসবাবপত্র ও প্রচারের উপকরণ সামগ্রী পুড়ে যায়। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বোরহান উদ্দিন বলেন, গণতন্ত্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে রাতের আঁধারে এই আগুন দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল না থাকায় এই সময়ে বিকল্প আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে বিসিবি। গত বৃহস্পতিবার থেকে তিন দল নিয়ে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে কমবয়সী ও সদ্য অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া হয়েছিল ইমার্জিং স্কোয়াডের দল দুরন্ত একাদশ। এ ছাড়া ছিল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে ধূমকেতু এবং ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে দুর্বার দল। ইতোমধ্যে তিন দলের এই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হয়েছে। আজ (সোমবার) মাঠে গড়াবে টুর্নামেন্টটির ফাইনাল ম্যাচ। মিরপুর শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে লিটন দাসের ধূমকেতু একাদশ ও নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার একাদশ। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি। আড়াই কোটি টাকা প্রাইজমানির টুর্নামেন্ট অবশ্য সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। একটি ম্যাচে ছিল কেবল উত্তেজনা। সেভাবে ছিল না খুব বেশি দর্শক। নাজমুলের দুর্বার একাদশ টুর্নামেন্টে দুটি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। অপরদিকে লিটনের ধূমকেতু একটি জয় নিয়ে ফাইনালে উঠেছে। তরুণদের নিয়ে গড়া দুর্দান্ত একাদশ কোনো জয় পায়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মূলত খেলোয়াড়দের মনোবল ধরে রাখতে এবং কিছুটা আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্বকাপের সময় এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। বিসিবি তিনটি গ্রুপে ভাগ করে দেয় ক্রিকেটারদের। বিশ্বকাপের দল নিয়ে গঠিত হয় ধূমকেতু একাদশ। তবে টুর্নামেন্টে তরুণদের কেউ তেমন ভালো করতে পারেননি।

নোয়াখালী-২ আসনের (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আন্তর্জাতিক সেলের প্রধান সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়ার এজেন্টকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সেনবাগ উপজেলার ৩নং ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ২নং মতইন ওয়ার্ড কেন্দ্রের প্রধান এজেন্ট মো. মনির হোসেনের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি মতইন গ্রামের আবদুর রবের ছেলে। দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত মো. মনির হোসেনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনসিপি প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের কয়েক ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, অনেক জায়গায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে সাহাপুরে আমাদের একজন প্রতিনিধির ওপর হামলা চালানো হয়। মনির হোসেনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা চলছে। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সেনবাগ বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান ও বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনবাগ বাজারে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন বাজারে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকযুক্ত গাড়িতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রচারণার গাড়িতেও হামলা করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের আহত করা হয়েছে। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কেউ কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না এবং কোনো ধরনের সহিংসতায় জড়াবেন না। নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টা চলছে। আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ আছি। এই হামলার জবাব আপনারা ১২ তারিখ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেবেন। এ বিষয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন আছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, নোয়াখালী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এবারের নির্বাচন সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে জবাব দেওয়া হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসমুক্ত সেনবাগ গড়ে তুলতে তিনি সবাইকে ১১ দলীয় জোটের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

নোয়াখালী-৪ (সদর–সুবর্ণচর) আসনটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ভোটারসংখ্যায় বড় একটি আসন। রাজনৈতিকভাবে এই আসন বরাবরই আলোচিত। এবারের নির্বাচনে এখানে অভিজ্ঞ রাজনীতিক বনাম পরিবর্তনমুখী রাজনীতির লড়াই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সুবর্ণচর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ৩৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৬ জন এবং নারী ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৭৯ জন। মোট ১৯৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে একটিও নেই অস্থায়ী কেন্দ্র। তবে আছে ১৩৬৬টি ভোট কক্ষের মধ্যে ৪৪টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৪২টি। নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহজাহান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম মাসুদ, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আবদুজ জাহের, জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. শরীফুল ইসলাম, ইনসানিয়াত বাংলাদেশ মনোনীত আপেল প্রতীকের প্রার্থী মো. ইউনুস নবী ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মনোনীত কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী বিটুল চন্দ্র মজুমদার। ভোটকেন্দ্র ও অবকাঠামোগত দিক থেকে আসনটি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হলেও বিশাল ভোটার সংখ্যার কারণে এখানে প্রতিটি ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানকে। তিনি ইতোপূর্বে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে এমপি ছিলেন। রাজনৈতিক অঙ্গণে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। মনোনয়ন ঘোষণার আগে একাধিক প্রত্যাশী থাকলেও পরে কোনো অভ্যন্তরীণ বিরোধ দৃশ্যমান হয়নি। মনোনয়ন ঘোষণার আগেই তিনি ও তার সমর্থকরা এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেন, যা নির্বাচনী মাঠে তাকে কিছুটা এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মো. শাহজাহান বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনো নিজের স্বার্থ দেখেনি। সবসময় সদর ও সুবর্ণচরের মানুষের পাশে ছিলাম। সে কারণেই দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়েও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমি মিথ্যা আশ্বাস আর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতে পছন্দ করি না। তবে আমি মানুষের কথা ভাবি। উন্নয়ন নিয়ে ভাবি। আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে এই অঞ্চলের চিত্র। জনগণ আমার শক্তি। আমি সব সময় জনগণের পাশে থাকতে চাই। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ইসহাক খন্দকার। জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই তিনি মাঠে সক্রিয়ভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। ইসহাক খন্দকার দাবি করেন, যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করছেন। তার ভাষায়, কে কোন দল থেকে প্রার্থী এটা মুখ্য নয়, মানুষ এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে চায়। আদর্শিক রাজনীতি ও পরিবর্তনের স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি শক্ত অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এই আসনে গণঅধিকার পরিষদের তরুণ প্রার্থী আব্দুজ জাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফিরোজ আলম মাসুদসহ অন্য প্রার্থীরাও নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন। তবে ভোটের মূল লড়াই যে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে সে বিষয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক একমত। সাধারণ ভোটারদের ভাষ্যে, ইপিজেড নির্মাণ, বিমানবন্দর স্থাপন, সুবর্ণচর পৌরসভা বাস্তবায়ন, রেললাইন সম্প্রসারণ ও নোয়াখালী সিটি করপোরেশন গঠনের মতো বড় প্রকল্পগুলোই তাদের প্রধান চাওয়া। তারা কেবল আশ্বাস নয়, বাস্তবায়ন করতে পারবেন এমন প্রতিনিধিকেই সংসদে পাঠাতে চান। সব মিলিয়ে নোয়াখালী-৪ আসনে এবারের নির্বাচন হতে যাচ্ছে অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা বনাম পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার মুখোমুখি লড়াই। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে এগিয়ে থাকা মো. শাহজাহানের বিপরীতে আদর্শিক ও পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে মাঠে সক্রিয় ইসহাক খন্দকার কার দিকে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা আস্থা রাখেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

নোয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালানোর সময় দলটির নারী কর্মীদের হেনস্তা করছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের হয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ইসহাক খন্দকার। তিনি নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইসহাক খন্দকার বলেন, জেলার চাটখিল, বেগমগঞ্জ, সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা, সুবর্ণচরসহ বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নারী কর্মীদের উঠান বৈঠকসহ প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রচারণার সময় জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তাও করছেন বিএনপির লোকজন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. শাহজাহানের কাছে অভিযোগ করে কয়েকটি স্থানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া গেছে বলে জানান জেলা জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘অনেক ঘটনা তাঁরও (মো. শাহজাহান) নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। জামায়াত সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে।’ ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্যও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় নারী ভোটারদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে দলের শৃঙ্খলা বিভাগকে বলা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এ ছাড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. সাইয়েদ আহমদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও নোয়াখালী-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. বোরহান উদ্দিন বক্তব্য দেন। জামায়াতের অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর বলেন, বিএনপি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য কাজ করছে, সুতরাং হেনস্তার অভিযোগ সত্য নয়; বরং জামায়াতই বিএনপি নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করে আসছেন।

একটি বড় দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্গার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এবং দলটির মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা আমির মো. ইসহাক খন্দকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নোয়াখালী জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ইসহাক খন্দকার বলেন, আইডি হ্যাক হয়েছে একটা সত্য কথা। যা সংবাদ সম্মেলন থেকেও বলা হয়েছে। তারপরও একটি বড় দলের প্রধান নেতা হ্যাকের বিষয়টি নিয়ে আর ট্রল করতে পারেন না। ওই দলে আরও ছোট নেতা আছে যাদেরকে দিয়ে তিনি বলাতে পারতেন। তিনি বলেন, ওই প্রধান নেতা যে ভাষায় কথা বলেছেন, তা তিনি জামায়াত আমিরকে বলতে পারেন না। এ ঘটনা নিয়ে গ্রেফতারও হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। আসলে ওই দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে নিজের লোক দিয়ে হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্গার করছেন। ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, জামায়াত আমির নারীদের প্রতি অত্যন্ত বিনয়ী। তিনি এ ধরনের কথা বলতে পারেন না, তা বুঝাই যায়। এখন কারা ধরা পড়ছে তা সবাই দেখছে। আমাদের লোকও তদন্ত করছে। সব বের হবে। তখন সবাই পরিষ্কার হয়ে যাবেন কারা, কেন এ কাজ করেছে। ১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, আমাদের নোয়াখালীতে ছয়টি আসনের সবগুলোতেই আমাদের নারী কর্মীদেরকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। অনেক জায়গায় আমাদের মা-বোনদের অপমান করেছে। আমরা এ ব্যাপারে থানায় জিডি করেছি। আমরা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত। ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে তারা ভুয়া কার্ড বিলাচ্ছে। তারা কী কোনো সংস্থা নাকি সরকারে এসে গেছেন। প্রতারণার এ কার্ড দিতে আবার চাঁদাও নিচ্ছে। নারীদের মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছেন। আমরা এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই। সভায় নোয়াখালী-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতের মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমদ চেয়ারম্যান, প্রচার বিভাগের প্রধান ডা. বোরহান উদ্দিন, নোয়াখালী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা ইউসূফ, জামায়াত নেতা সাংবাদিক আবু তাহের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সব বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মেসবাহ উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুলকোর্ট সভায় অধস্তন আদালতের ছুটির ক্যালেন্ডার অনুমোদনসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফুলকোর্ট সভা বিচারপতিদের কথা বলার নিজস্ব ফোরাম। এতে নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের একটি নির্বাচনি কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সেতুভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত মাওলানা বোরহান উদ্দিনের নির্বাচনি অফিসে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। মুহূর্তেই আগুনের ছড়িয়ে পড়ে এবং নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত রিকশা, আসবাবপত্র ও প্রচারের উপকরণ সামগ্রী পুড়ে যায়। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বোরহান উদ্দিন বলেন, গণতন্ত্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে রাতের আঁধারে এই আগুন দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস এসএম ফরহাদ বলেছেন, ৫ আগস্টের পর দেড় বছরে যারা চাঁদাবাজির জন্য ২৭৩ জন মানুষকে হত্যা করেছে, তাদেরকে আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নোয়াখালী-৪ আসনের সুবর্ণচরের চরজব্বর ডিগ্রি কলেজ মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। এস এম ফরহাদ বলেন, ‘দেশের মোট মারামারির ৯১ শতাংশই করেছে একটি নির্দিষ্ট দল। শুধুমাত্র চাঁদাবাজি, লুটপাট আর ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে গত দেড় বছরে (৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত) তারা ২৭৩ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এই দলকে আমরা আর ক্ষমতায় আসতে দিতে চাই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যা-ই করি না কেন, বারবার নিজেদের করণীয় ভুলে যাই। ৯০-পরবর্তী সময়ে আমরা ভুল পথে হেঁটেছি, ৭৫-এর পরেও ভুল পথে হেঁটেছি; এখন চব্বিশের পরেও যদি আমরা ভুল পথে হাঁটি, তবে বাংলাদেশ আবারও দীর্ঘসময়ের জন্য দুর্নীতিবাজদের কবলে পড়ে যাবে।’ ডাকসুর জিএস বলেন, ‘যে বিজয় ডাকসুতে শুরু হয়ে জকসুতে এসে থেমেছে, তারা ভয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে। সেই ভয়ের চূড়ান্ত ফলাফল তারা ১২ তারিখে দেখতে পাবে। এই ১২ তারিখ হবে দাঁড়িপাল্লার বিজয়।’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব দুটি—প্রথমত, আপনি নিজে ভোট দিতে আসবেন এবং ভোট দেবেন। দ্বিতীয়ত, এই বার্তাটি যদি আমরা প্রত্যেক নাগরিকের কাছে পৌঁছে দিতে পারি, তবেই আমরা সফল হবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘শোনা যাচ্ছে বিএনপি নাকি ভোটকেন্দ্র দখল করতে চায়। কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের জাগ্রত জনতা কাউকে আর কেন্দ্র দখল করতে দেবে না। যে জুলাই বিপ্লবে যুবকরা বুকের রক্ত দিয়ে বুলেট নিয়েছে, সেই তরুণরা বেঁচে থাকতে কোনো অপশক্তিকে কেন্দ্র দখলের সুযোগ দেবে না।’ সুবর্ণচর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মো. ইসহাক খন্দকার, চাকসুর সাবেক জিএস সাইদ বিন হাবিবসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬১টিকে ঝুঁকিপূর্ণ (অতি গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে জেলার সব ভোটকেন্দ্রই সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হলেও সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা কাটছে না ভোটারদের। বিশেষ করে নারী ভোটারদের মধ্যে কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে ভীতি ও সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৭৫টি। এর মধ্যে ৬১৪টি সাধারণ এবং ২৬১টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নোয়াখালী-১ আসনে মোট ১৪১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৮৮টি সাধারণ এবং ৫৩টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নোয়াখালী-২ আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১১১টি। এর মধ্যে ৭৩টি সাধারণ এবং ৩৮টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। নোয়াখালী-৩ আসনে মোট ১৬৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১০৬টি সাধারণ এবং ৬০টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ছয়টি আসনের মধ্যে সর্বাধিক। নোয়াখালী-৪ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৯৮টি। এর মধ্যে ১৫৬টি সাধারণ এবং ৪২টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র। নোয়াখালী-৫ আসনে মোট ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৪টি সাধারণ এবং ৫১টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, নোয়াখালী-৬ আসনে মোট ১০৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৮৭টি সাধারণ এবং মাত্র ১৭টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যা ছয়টি আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন। একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনি প্রচারণা জোরদার হলেও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। ভোটের দিন ও তার আগের দিন সহিংসতার আশঙ্কা করছেন তারা। নোয়াখালী-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ইসহাক খন্দকার বলেন, একটি দলের নেতাকর্মীরা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে।বিশেষ করে নারীদের হেনস্থা করছে। এছাড়াও গণসংযোগে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে অনেক এলাকায় শঙ্কা আছে। আমরা নিরপেক্ষ ও কঠোর নিরাপত্তা চাই। নোয়াখালী-৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়ায় পতিত সরকারের সকল লোক নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট করছে। মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো এজেন্ট থাকবেনা বলে প্রচার করছে। ভোটারসহ আমরা সবাই সঙ্কিত। একই আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, একটি দলের প্রার্থী আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই আসনে ঝামেলা সৃষ্টি করার চেষ্টা রয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন। নির্বাচন নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নোয়াখালীতে দায়িত্ব পালন করছে ফেনী ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোশারফ , শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করাই বিজিবির প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কার্যক্রম চলবে। সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প থেকে রোবাস্ট পেট্রোলিং, চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ায় নৌবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্যান্য ৫টি আসনেও সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করবেন। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারবেন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলার ছয়টি আসনের ৮৭৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬১টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রসহ সব ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তা মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মিনিটের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ধনকুবের বিল গেটস। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইনের কয়েক লাখ নথি প্রকাশ করেছে। ওইসব নথির মধ্যে রয়েছে একটি ড্রাফট ইমেইল। এতে এপস্টেইন লিখেছেন, বিল গেটস বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিল গেটস এক রুশ নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। যার প্রভাবে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সুস্থ হতে বিল গেটসকে ওষুধও দেন বলে দাবি করেন তিনি। যেন তিনি অন্য বিবাহিত নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক করতে পারেন। তবে এ ইমেইলের তথ্য অসত্য বলে দাবি করেছেন বিল গেটস। তিনি সংবাদমাধ্যম ৯নিউজ অস্ট্রেলিয়াকে বলেছেন, “আমি তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মিনিটের জন্য আমি দুঃখিত, ক্ষমা চাই। ওই ইমেইল কখনো কোথাও পাঠানো হয়নি। ইমেইলটি মিথ্যা। আমি জানি না এ ব্যাপারে তার কি মতলব ছিল। এপস্টেইন কি কোনোভাবে আমাকে আক্রমণ করতে চেয়েছিলেন?” বিল গেটস আরও বলেছেন, এপস্টেইনের ২০১১ সালে প্রথম যোগাযোগ হয় তার। এরপর পরের তিন বছর একাধিকবার এপস্টেইনের সঙ্গে ডিনারে অংশ নেন তিনি। কিন্তু কখনো ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত তার সেই দ্বীপে যাননি এবং কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্কও ছিল না। বিল গেটসের এক মুখপাত্রও একই দাবি করে বলেছেন, বিল এসব ব্যাপারে অবগত নন। বিজ্ঞাপন সূত্র: এএফপি

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ভারতের মাটিতে নিরাপত্তা ইস্যুর কারণে এবারের আসরে খেলছে না বাংলাদেশ। যে কারণে এই সময়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে (বিসিবি)। দেশের ৩৯ জন সেরা ক্রিকেটারকে নিয়ে তিনটি দল বানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে মাঠে গড়াবে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ’। উদ্বোধনী খেলায় সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে লিটন দাসের ধূমকেতু একাদশ ও আকবর আলির দুরন্ত একাদশ। ম্যাচের আগের দিন গতকাল দুই দলই অনুশীলনে শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরেছে। পরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দল দুটির প্রধান কোচ। ধূমকেতুর কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছিলেন, 'দিনশেষে যখন আপনি মাঠে নামবেন সবাই তার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে। এখানে টপ ৪৫ খেলোয়াড় খেলছে। হেলদি কম্পিটিশন হবে, আগে খেলেছে ওরাও আছে তরুণরাও আছে। প্রতিদিন একেকটা সুযোগ। সিরিয়াসলি নিলে এটা বড় সুযোগ তার জন্য, সিরিয়াসলি না নিলে ডাউনফলও হতে পারে। সবাই সেরাটা দিবে আশা করি।' দুরন্ত একাদশের কোচ হান্নান সরকার বলেছিলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় ভালো প্রতিযোগিতা। ভালো একটা টুর্নামেন্ট, ৩ দলের মধ্যে ধাপে ধাপে দল সাজানো হয়েছে। চ্যালেঞ্জ ভিন্ন থাকবে। আমাদের বয়সভিত্তিক দলে যারা আছে তাদের চ্যালেঞ্জ ভিন্ন থাকবে। আমাদের দলে প্লেয়ারের মধ্যে ক্ষুধার্ত প্লেয়ারের সংখ্যা বেশি। ক্ষুধার্ত মানে হচ্ছে তারা পারফর্ম করার জন্য মরিয়া হয়ে আছে। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। প্লেয়ারদের পাশাপাশি কোচ, ম্যানেজমেন্ট সবার জন্যই ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’ প্রতিটি ম্যাচের দিন বিকাল ৪টা থেকে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি ও ফি মিলিয়ে মোট বাজেট ধরা হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। খেলায় নতুন মাত্রা যোগ করবে ‘ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়’ নিয়ম। ধূমকেতু স্কোয়াড লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম দুরন্ত স্কোয়াড জিসান আলম, জাওয়াদ আবরার, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম, আকবর আলী (অধিনায়ক), আজিজুল হাকিম তামিম, রিপন মন্ডল, আব্দুল গাফফার সাকলায়েন, এস এম মেহরব হোসেন, রাকিবুল হাসান, নাহিদ রানা ও ইকবাল হোসেন ইমন।