

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় আলোচক মিজানুর রহমান আজহারিকে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজহারি তার ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ নামক সিরিজের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফর করছিলেন। তবে সফরের মাঝপথেই মঙ্গলবার তার ভিসা বাতিল করে দেয় অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি দেশটি ত্যাগের অপেক্ষায় রয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডুনিয়াম সিনেটে জানান, আজহারির অস্ট্রেলিয়া আগমন সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের আগে থেকেই বিভিন্ন গোষ্ঠী সতর্ক করেছিল। ডেইলি মেইলের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক আলোচনায় হিটলারের প্রশংসা এবং ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য করেন আজহারি। ওই আলোচনায় ইহুদিদের অমানবিক আখ্যায়িত করে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানান আজহারি।
১ এপ্রিল, ২০২৬
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার প্রক্রিয়া কেমন হবে—জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন তো করেছেন, তবে যারা অনলাইনে আবেদন করেননি তাদের আর তা করা লাগবে না। সাংবাদিকেরা সশরীরে নির্বাচন ভবনে এসে কার্ড ইস্যু করতে পারবেন। এর আগে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার নিতে অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানায় ইসি। তবে এই ‘প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না’ জানিয়ে দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এদিকে, আগামী রোববারের (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে ইসিকে আলটিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা। এরপরই অনলাইনে কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইসি।
৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
জনপ্রিয় আলেম ড. মিজানুর রহমান আজহারী মানুষকে সতর্ক করে বলেছেন, নেশা ও জুয়া মানুষের সুন্দর জীবনকে তিলে তিলে বিষণ্নতার অন্ধকারে ঠেলে দেয়। সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, নেশা ও জুয়া— কেবল টাকা-পয়সার অপচয় নয়; এগুলো সুন্দর জীবনকে তিলে তিলে বিষণ্ণতার অন্ধকারে ঠেলে দেয়। এসবের ফাঁদে পড়ে মানুষ সর্বস্ব হারায়। ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় তিলে তিলে গড়ে ওঠা শত-সহস্র রঙিন পরিবার। সুন্দর এই জীবন ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে তার আসল উদ্দেশ্য। অথচ জীবন তো আল্লাহর দেয়া এক অমূল্য আমানত। মানব জীবন ধ্বংসের জন্য নয় উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন- আল্লাহর স্মরণ, ইবাদত ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জীবনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে এবং কল্যাণের সুবাতাস জগৎময় ছড়িয়ে দিতেই এ ধরায় আমাদের আগমন। তাই আসুন, স্রষ্টার দেয়া এই অনন্য আমানতকে রক্ষা করি। জীবনকে অর্থবহ করে গড়ে তুলি। সব ধরনের নেশা ও জুয়া থেকে স্থায়ীভাবে বিরত থাকার পণ করি।
৭ জানুয়ারী, ২০২৬
সম্প্রতি ভূমিকম্পের কবলে পড়া রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা বড় আতঙ্কে আছেন। বিপদের ঝুঁকি বাড়ছে বলেই মত দিয়েছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি সমীক্ষা বলছে, পার্শ্ববর্তী জেলা টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্ট বা ফাটলরেখায় ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের ৪০ শতাংশ ভবন ধসে পড়তে পারে। এতে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা আছে। এই আশঙ্কার মধ্যেই জাতিসংঘের নতুন ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্সটস-২০২৫-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরে পরিণত হবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বর্তমানে ঢাকার জনসংখ্যা ৩ কোটি ৬৬ লাখ, যা বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। খবর আলজাজিরার। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্রুত নগরায়ণ, গ্রাম থেকে মানুষের ব্যাপক আগমন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরই ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ। জাতিসংঘ জানায়, ঢাকার বর্তমান প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে এটি বিশ্বে শীর্ষস্থান দখল করবে। ফলে আগামীতে ঢাকার জনসংখ্যা আরও কয়েক কোটি বাড়তে পারে। নতুন তালিকায় ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ৪ কোটি ১৯ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে প্রথম স্থানে আছে। তবে ২০৫০ সালের মধ্যে জাকার্তা উপকূলীয় জলবায়ু ঝুঁকি ও ডুবে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে জনসংখ্যা হ্রাসের মুখে পড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। এশিয়া এখনো মেগাসিটির প্রধান কেন্দ্র। বিশ্বে বিদ্যমান ৩৩ মেগাসিটির মধ্যে ১৯টি এশিয়ায় এবং শীর্ষ ১০-এর ৯টিই এই অঞ্চলে। ১৯৭৫ সালে এশিয়ায় মেগাসিটির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮টি। বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের এই গতির কারণে ঢাকার সামনে অবকাঠামো সংকট, পানি-জলাবদ্ধতা, ট্রাফিক ও বাসযোগ্যতার চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন হবে বলে জাতিসংঘ সতর্ক করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন পদ্ধতিতে শহরের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ ১ কিমি গ্রিডে প্রতি বর্গকিলোমিটারে অন্তত ১,৫০০ জন থাকলেই সেটিকে শহর হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এ ছাড়া, মোট জনসংখ্যা কমপক্ষে ৫০ হাজার হতে হবে। জাকার্তা ও ঢাকা ছাড়া তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে টোকিও (৩ কোটি ৩৪ লাখ)। এ ছাড়া রয়েছে নয়াদিল্লি (৩ কোটি ২ লাখ), সাংহাই (২ কোটি ৯৬ লাখ), গুয়াংজু (২ কোটি ৭৬ লাখ), ম্যানিলা (২ কোটি ৪৭ লাখ), কলকাতা (২ কোটি ২৫ লাখ) ও সিউল (২ কোটি ২৫ লাখ)। এশিয়ার বাইরে একমাত্র শহর মিশরের কায়রো, যার জনসংখ্যা ৩ কোটি ২০ লাখ। লাতিন আমেরিকায় সবচেয়ে বড় শহর ব্রাজিলের সাও পাওলো (১ কোটি ৮৯ লাখ)। আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শহর এখন লাগোস।