

২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর সেতুতে অবস্থিত দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সভাপতি এ.এইচ.এম. বজলুর রহমান। সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ.এইচ.এম. বজলুর রহমান বলেন, জ্ঞান ও শিক্ষায় প্রবেশাধিকারে বৈষম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে উপকূল অঞ্চলের মানুষ। তিনি শহর ও উপকূল অঞ্চলের নাগরিক সুবিধার বৈষম্য তুলে ধরে হাতিয়ায় সাবমেরিন কেবল সংযোগের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও টেকসই ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সভায় চলতি বছরে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিবর্গের স্মরণে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত আরা ফেরদৌস মনিকা। বিধি মোতাবেক সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল আলম ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা গত পাঁচ দশক ধরে উপকূলবাসীর টেকসই উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজার এবং তাদের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীল উন্নয়নে চার শতাধিক কর্মী সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। দীর্ঘদিনের কর্মপ্রয়াসের ফলে সংস্থার সদস্যদের অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও বহুমুখীকরণে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট, অডিটর নিয়োগসহ বিভিন্ন আর্থিক বিষয় উপস্থাপন করা হয়। কোষাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে এসব আর্থিক বিষয় উপস্থাপন করেন সংস্থার অর্থ সমন্বয়কারী রাজিব বড়ুয়া। সভা শেষে সভাপতি উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।