

সরকারিভাবে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০২ টাকা নির্ধারিত থাকলেও বাজারের ‘মঞ্জু ব্রাদার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। অর্থাৎ, প্রতি লিটারে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৩৩ থেকে ৩৮ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। মঞ্জু ব্রাদার্স কে আরটিডি নিউজ২৪ কল করলে তিনি কলটি এড়িয়ে যান- সাধারণ ভুক্তভোগীদের থেকে তথ্য নিয়ে যা জানা যায় -সরকার সম্প্রতি তেলের দাম বৃদ্ধি না করলেও মঞ্জু ব্রাদাসেন্ট্রাল কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। অতিরিক্ত দামের কারণ জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অদ্ভুত দাবি করা হয়। তাদের দাবি, তারা নিজেরাই নাকি সরকারি রেট ১২৮ থেকে ১২৯ টাকা দরে পাইকারি কিনছেন। ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ স্থানীয় একজন ভুক্তভোগী ক্রেতা জানান, "আমরা জানি সরকার দাম বাড়ায়নি, কিন্তু বাজারে এলেই বলা হচ্ছে দাম বেশি। প্রতিবাদ করলে তেল দিচ্ছে না। এরা নিজেরা সিন্ডিকেট করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে।" রহস্যজনক সিন্ডিকেট প্রশ্ন উঠছে, যেখানে জ্বালানি মন্ত্রণালয় বা বিপিসি (BPC) নতুন করে কোনো দাম বাড়ায়নি, সেখানে ১২৯ টাকা কেনা রেট হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এটি একটি কৃত্রিম সংকট ও সিন্ডিকেট। খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি পর্যায়ে অতিরিক্ত দামের অজুহাত দিলেও এর সপক্ষে কোনো বৈধ রসিদ দেখাতে পারছেন না। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন খুচরা বাজারে এমন মনগড়া দাম নির্ধারণের ফলে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির এই প্রভাব সরাসরি কৃষি ও নিত্যপণ্যের ওপর পড়ছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে করমুল্লা বাজারের মঞ্জু ব্রাদার্সসহ সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোতে অভিযান চালানো হোক এবং এই অদৃশ্য সিন্ডিকেটের উৎস খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।