

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল সবে শুরু হচ্ছে। তবে চার দল বাদে বাকিরা পরবর্তী মিশনে নামার অপেক্ষায়। সুপার এইট থেকে ছিটকে পড়ায় পাকিস্তানও বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে ভাবছে। তার আগে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন তারকা ব্যাটার ফখর জামান। ফলে আগামী ১১ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মাটিতে হতে যাওয়া সিরিজ থেকে তিনি ছিটকে পড়ার শঙ্কায় আছেন। বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছিল পাকিস্তান। ম্যাচটি জিতলেও বড় ব্যবধানে জয়ের সমীকরণ মেলাতে না পারায় তারা সেমিতে উঠতে পারেনি। সেই ম্যাচে ৪২ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পথে চোট পান ফখর। যার জন্য তিনি বর্তমানে পুনর্বাসনে প্রক্রিয়ায় আছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সফরে তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে। বিশ্বকাপেও অবশ্য বেশি খেলা হয়নি ফখর জামানের। শেষ দুটি ম্যাচে খেলে যথাক্রমে ২৫ ও ৮৪ রান করেছেন। এদিকে, আগামী ৯ মার্চ ঢাকায় পা রাখার কথা রয়েছে পাকিস্তানের। এরপর ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তানি তিনটি ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজ খেলবে। যদিও সিরিজটি নির্ধারিত সময়ে হওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে কারণে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। ফলে ওই অঞ্চলের আকাশসীমায় ফ্লাইটের পরিমাণ বেশ সীমিত। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার পর ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে নিশানা বানাতে চায় পাকিস্তান। সে কারণে বাবর আজম, সাইম আইয়ুব ও মোহাম্মদ নেওয়াজের মতো ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের সুযোগ দিতে চায় দেশটি। সাম্প্রতিক সূচিতে তাদের কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না থাকা–ও এমন ভাবনার অন্যতম কারণ। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের অংশ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা ৫-৬ জনকে ধীরে ধীরে বিবেচনার বাইরে রাখা শুরু হতে পারে। পাকিস্তান গত নভেম্বরে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। যেখানে লঙ্কানদের ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল সালমান-শাহিনরা। বাংলাদেশ সিরিজ হবে শাহিন শাহ আফ্রিদির জন্য দ্বিতীয় এসাইনমেন্ট। ওয়ানডেতে নেতৃত্ব পাওয়ার পর তার অধীনে পাকিস্তান প্রথম সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল।