

দুবাইয়ের জলসীমায় কুয়েতি ট্যাংকার জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত দুবাইয়ের জলসীমায় কুয়েতের একটি ট্যাংকার জাহাজ ইরানের ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। গতকাল এ হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন। হামলায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য আসেনি। তবে জাহাজটি তেলে পরিপূর্ণ থাকায় সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্ররাষ্ট্র। গত ৩১ মার্চ রোববার ইরানের তেলসম্পদ এবং জ্বালানি রপ্তানি ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি দেন ট্রাম্প। তার পরেই এ হামলা চালাল ইরান। ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে। সূত্র : এএফপি